শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৪৭ ঢাকা, শুক্রবার  ১৪ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

ঐক্যফ্রন্ট
নির্বাচন কমিশনে চিঠি পৌঁছে দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। ছবিঃ সংগৃহীত

৭০ পুলিশ কর্মকর্তার প্রত্যাহার চেয়েছে ঐক্যফ্রন্ট

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৭০ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে একটি চিঠি দেয় ঐক্যফ্রন্ট।

সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে সব দল ও প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য এ প্রত্যাহারের দাবি করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চিঠিটি পৌঁছে দেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বরাবর পাঠানো চিঠিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সালাম নেবেন। আপনাকে জানাচ্ছি যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে আমরা মাঠ প্রশাসনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য লিখিত ও মৌখিকভাবে আহ্বান জানিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপেও তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এমনকি আপনিও ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণাকালে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে সব দল ও প্রার্থীর জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশবাসী লক্ষ্য করেছে যে, তফসিল ঘোষণার পর ১০ থেকে ১২ দিন সময় অতিবাহিত হলেও আপনাদের এসব প্রতিশ্রুতির দৃশ্যমান কোনো কার্যক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

উপরন্তু সরকারের সাজানো পুলিশ প্রশাসনে অতি দলবাজ ও চিহ্নিত বিতর্কিত কর্মকর্তা নির্বাচনী মাঠ দাবরিয়ে বেড়াচ্ছে। অথচ কমিশন ওইসব বিতর্কিত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।

এ অবস্থায় পুলিশ প্রশাসনের নিম্নলিখিত বিতর্কিত কর্মকর্তাদের অবিলম্বে প্রত্যাহারপূর্বক নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব প্রকার দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার জোর দাবি জানাচ্ছি।

ওই চিঠিতে ৭০ পুলিশ কর্মকর্তার নাম, পদবি ও কর্মস্থল উল্লেখ করা আছে।

চিঠিতে ফখরুল আরও বলেন, ‘আমরা পুলিশের মাঠ প্রশাসনের অবশিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছি এবং বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহারের দাবি জানাব। এতদ্ব্যতীত অবিলম্বে অন্যান্য সব পুলিশ সুপার ও থানার ওসিদের বর্তমান কর্মস্থল জেলার বাইরে বদলির ব্যবস্থা নেয়ার জন্যও পুনরায় জোর দাবি জানাচ্ছি।’