Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:৫৬ ঢাকা, রবিবার  ১৮ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

৬ মাসে রফতানি আয় বেড়েছে

চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই- ডিসেম্বর) রফতানি আয় বেড়েছে ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এ সময়ে রফতানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৯১ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩ কোটি ডলার বেশি।
এছাড়া একক মাস হিসেবে গত ডিসেম্বরে রফতানি আয় হয়েছে ২৮৪ কোটি ডলার যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ কোটি ডলার বেশি। বুধবার রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, চলতি অর্থবছরে ডিসেম্বর পর্যন্ত রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪৯১ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল এক হাজার ৪৬৮ কোটি ডলার। ডিসেম্বর মাসে রফতানি বেশি হওয়ায় গত ছয় মাসের গড় রফতানি আয় বেড়েছে। এর আগের মাস অর্থাৎ নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসে আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ১ শতাংশ।
রফতানিকারকরা জানান, আগামী কয়েক মাসে রফতানি আয় আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। তাদের মতে, নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে রফতানি আদেশ বেড়েছে। আগামী মাসের রফতানি প্রতিবেদনে সেই চিত্র প্রতিফলিত হবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কাজী ছাইদুর রহমান বলেন, ‘রফতানির পাশাপাশি রেমিটেন্সে ভালো প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার দিন শেষে রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২শ’ ৪৬ কোটি ডলারে।’
এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর ২২শ’ ৩৮ কোটি ডলারের রিজার্ভ ছিল স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের সর্বোচ্চ। এ পরিমাণ রিজার্ভ দিয়ে ৭ মাসের বেশি আমদানি দায় মেটানো সম্ভব।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক হাজার ৯২৬ কোটি ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন। এটি আগের বছরের তুলনায় ১০৯ কোটি ডলার বা ৭ দশমিক ৯১ শতাংশ বেশি। আর একক মাস হিসেবে গত ডিসেম্বরে আসা ১২৬ কোটি ডলার গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ কোটি ও আগের মাস নভেম্বেরের তুলনায় ৮ কোটি ডলার বেশি।