ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:৩৭ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে তেলের দাম

২০০৯ সালের পর তেলের দাম সর্বনিম্ন অবস্থায় পৌঁছেছে শুক্রবার। প্রতি ব্যারেল অশোধিত তেলের দাম ৫৬ ডলারেরও কমে বিক্রি হচ্ছিল। তেলের অত্যধিক সরবরাহের দরুন জুনের পর থেকে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে দাম। বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছিলেন এ বছরের শুরুর দিকে দাম কিছুটা বাড়তে পারে। তবে তা হচ্ছে না। পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ও সদস্যদের আহ্বান সত্ত্বেও সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ যথেচ্ছ হারে তেল উৎপাদন করছে। এর ফলে ব্রেন্টের অশোধিত তেলের দাম গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরানের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার তেলের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি আরবকে। যদি তেলের দাম না বাড়ে তবে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন তেল উৎপাদনকারী দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে সৌদি আরব তেলের দাম কমিয়ে রাখতেই বেশি আগ্রহী, যাতে মার্কেট শেয়ার ধরে রাখতে পারে দেশটি। ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি গড়ে ১১০ ডলার। ২০০৯ সালের শেষের দিকে তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৫৫.৪৮ ডলার। এখন প্রায় সে অবস্থায় পৌঁছে গেছে তেলের দাম। তবে অনেকে মনে করছেন, এ বছর তেলের দাম বেড়ে যেতে পারে হঠাৎ করে। কেননা, এ বছর বিভিন্ন ব্যয়বহুল তেল প্রকল্প বন্ধ বা বাতিল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বের বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো এখনও ব্যাপক তেল উৎপাদন করছে। তেল রপ্তানিকারক সংগঠন ওপেকের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী ইরাক বলেছে, ১৯৮০ সালের পর, গত ডিসেম্বর মাসেই তাদের তেল রপ্তানি সবচেয়ে বেশি হয়েছে। প্রতিদিন ২৯ লাখ ৪০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে দেশটি। অপরদিকে ওপেকের বাইরে সর্ববৃহৎ তেল রপ্তানিকারক দেশ রাশিয়ার উৎপাদন সোভিয়েত-পরবর্তী সময়ের পর সবচেয়ে বেশি হয়েছে ২০১৪ সালে। উত্তর আফ্রিকার বৃহৎ তেল রপ্তানিকারক দেশ লিবিয়াতে তেল সরবরাহের ট্যাংকে আগুন লাগায় দেশটির রপ্তানি কমে গেছে।