ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:৩৯ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী ও বেজার পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিষদের ৫ম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বেসরকারি ৪টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) পরিচালনা পরিষদ ৪টি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দিয়েছে।
অনুমোদন দেয়া বেসরকারী অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো হচ্ছে মাদারীপুর, ফরিদপুর, নোয়াখালি ও কিশোরগঞ্জ।

প্রধানমন্ত্রী ও বেজার পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিষদের ৫ম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বিক উন্নয়নে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো প্রতিষ্ঠায় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে কর্মকর্তাদের আহবান জানান।

তিনি বলেন, উন্নয়নের জন্য বেসরকারি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। কিন্তু সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা কৃষি জমিতে যথেচ্ছা শিল্প স্থাপন করছে।

তিনি বলেন,অপরিকল্পিত শিল্পায়ন থেকে কৃষি জমি রক্ষা করতে শিল্প স্থাপনা একটি নির্ধারিত অঞ্চলে স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া অপরিকল্পিত শিল্প-প্রতিষ্ঠান পরিবেশেরও ক্ষতি করছে। এ জন্য এখন থেকে বিনিয়োগকারীদের নির্ধারিত অঞ্চলেই স্থাপন করতে হবে। এসব অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারর হোসেন, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো: মুজিবুল হক চুন্ন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির এবং বেসরকারি শিল্পের মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও সচিবগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বেজার কর্মকান্ড ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফকালে বলেন, অনুমোদিত বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো মাদারীপুর, ফরিদপুর, নোয়াখালী ও কিশোরগঞ্জে গড়ে তোলা হবে।

বৈঠকে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগকালীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সেবার ব্যবস্থা করতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন প্রণয়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

করিম বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের (অর্থনৈতিক অঞ্চলের কল্যাণ তহবিল গঠনের ও পরিচালনা) খসড়া নীতি, শুল্ক ব্যবস্থা ও বর্তমান বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিনিয়োগকারীদের যথাযথ মূল্যে জমি প্রদানের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, সরকার পরিকল্পিত শিল্পায়নের মাধ্যমে কৃষি জমি রক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ৭৫ হাজার একর জমিতে একশ’ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন করবে।