Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:১৯ ঢাকা, বুধবার  ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, ফাইল ফটো

২১ আগস্টের হামলাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চায় নৌ-মন্ত্রী

নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, আওয়ামী লীগের কান্ডারী বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের নেতৃত্বকে হত্যা করে নেতৃত্ব শূন্য করা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ধ্বংসের জন্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা হয়। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ স্বাধীনতা হলে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ ও আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে বিএনপি-জামাত সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত শ্রমিক, কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, শিশু, নারীসহ বিভিন্ন পেশার অসংখ্য মানুষ হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট একটি নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দিন। এ দিনটি রক্ত¯œাত বিভীষিকা ও কলংকময়। এটা ছিল বারুদ রক্তমাখা বিভৎস এক রাজনৈতিক হত্যাযজ্ঞ।

তিনি বলেন, ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে বিএনপি-জামাত সন্ত্রাসীদের হাতে যে অসংখ্য মানুষ নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে, সেই অপরাধীদের বিচার করতে হবে। যাতে বাংলার মাটিতে আর কেউ এধরনের জঘন্য হত্যাকান্ড ঘটাতে সাহস না পায়।

শাজাহান খান বলেন, ২১ আগস্ট ভয়ংকর হত্যাযজ্ঞের সাথে জড়িতদের রক্ষায় প্রকাশ্য ভূমিকা রেখেছিল তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকার। সেই নৃশংস হত্যাকান্ডের প্রকৃত হত্যাকারী ও মদদ দানকারীদের বাঁচাতে বিএনপি-জামাত তৈরি করেছিল জজ মিয়া নামক নাটক। পরে অবশ্য জজ মিয়া নামে এক ভবঘুরে, একজন ছাত্র ও একজন আওয়ামী লীগ কর্মীসহ ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অথচ পরবর্তীতে তাদের কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। শুধু তাই নয় তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের বিরুদ্ধে গ্রেনেড হামলার সকল আলামত নষ্ট করারও অভিযোগ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) হেলাল মোর্শেদ খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত কাদির গামা, শ্রমিক নেতা মো: শাহাবুদ্দিন, মোখলেসুর রহমান, মহসিন ভূইয়া, আবুল হোসেন, কামাল উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।