ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৭:২৪ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

২০৩০ সাল নাগাদ দরিদ্রদের জীবনমান দ্রুতই উন্নত হবে

ইতিহাসের যে কোন সময়ের তুলনায় আগামী ১৫ বছরে বিশ্বে দরিদ্রদের জীবনমানের উন্নয়ন দ্রুতই ঘটবে। বিশ্বের শীর্ষ ধনী বিল গেটস ও তার স্ত্রী মেলিন্ডা এ কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এ জুটির বার্ষিক বিবৃতিতে তারা তাদের প্রযুক্তিমুখী তৎপরতা তুলে ধরেন যা ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের লাখ লাখ লোককে দারিদ্র্যমুক্ত করবে।
সম্পদ প্রবাহ বাড়িয়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা গেটস ফাউন্ডেশন বিশেষ করে স্বাস্থ্য, কৃষি, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও অনলাইন শিক্ষায় বড়ো ধরণের পরিবর্তন আনবে।
এক সাক্ষাতকারে মেলিন্ডা বলেন, আগামী ১৫ বছরে বিশ্বে ইতিহাসের যে কোন সময়ের তুলনায় দরিদ্রদের জীবনমানের উন্নয়ন দ্রুতই ঘটবে।
শিশু মৃত্যুহার অর্ধেকে নেমে আসবে, পোলিও নিমর্ূূল হবে এবং ভ্যাকসিনের মাধ্যমে আফ্রিকার মরণঘাতী রোগ ম্যালিরিয়া মোকাবেলা করা যাবে।
গত ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর গেটস ফাউন্ডেশনের রূপরেখা নিয়ে বিল গেটস দম্পতি বিবৃতি প্রকাশ করে। এবারে এতে গেটস আরো বলেন, কৃষিখাতে উদ্ভাবনের মাধ্যমে আফ্রিকা ২০৩০ সাল নাগাদ খাদ্যে নিরাপত্তা অর্জন করবে।
মেলিন্ডা বলেন, আফ্রিকায় ১০জন বয়স্ক লোকের সাতজনই কৃষক। তাদেরকে যদি খরা প্রতিরোধী নতুন বীজ দেয়া হয় তবে তারা পরিবর্তিত আবহাওয়াতেও অধিক ফলনে সক্ষম হবে। এর মানে তারা তাদের পরিবারের খাদ্য যোগান দিতে এবং উদ্বৃত্ত শস্য বিক্রি করতে পারবে।
কেনিয়ায় মোবাইল ব্যাংকিং জনপ্রিয়। গেটস ফাউন্ডেশন তাঞ্জানিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন ও উগান্ডার দরিদ্রদের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং চালুর লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।
মেলিন্ডা আরো বলেন, বিল এবং আমি অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছি। কারণ আমরা বিশ্ব পরিসংখ্যানের দিকে নজর রাখছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি শিশু মৃত্যুহার কমে যাচ্ছে।
তিনি শুধুমাত্র তাঞ্জানিয়ার কথা তুলে ধরে বলেন, সেখানে তিনি কয়েকবার সফরে গেছেন। তার প্রথম সফরের এক দশক পর দেশটি সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
একশ’রও বেশি দেশে সক্রিয় গেটস ফাউন্ডেশনের তহবিলের পরিমাণ ৪ হাজার ২শ কোটি মার্কিন ডলার। প্রকল্প ও উদ্ভাবনী বিষয়ে অর্থায়ন করা ছাড়াও ফাউন্ডেশনটি সরকারের সাথে নীতি রূপায়নেও কাজ করছে।