ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৩৭ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

২০১৮ সালের মধ্যে পোল্ট্রি পণ্যের রফতানি শুরু হবে

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

পোল্ট্রিখাতের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১৮ থেকে ২০ শতাংশে উন্নীত করতে পারলে আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ মুরগির মাংসই হবে বাংলাদেশের এক নম্বর মাংস। আর আগামী ২০২০ সাল নাগাদ এ শিল্পে প্রায় এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এছাড়াও আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশ পোল্ট্রি পণ্যের রফতানি শুরু করতে পারবে।
আজ ৯ম আন্তর্জাতিক পোল্ট্রি শো ও সেমিনার-২০১৫ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এ আশাবাদ ব্যাক্ত করা হয় । ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন এই সেমিনারের আয়োজন করে। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গত বৃহস্পতিবার এইপোল্ট্রি শো ও সেমিনার শুরু হয়।
ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক সমাপনী পর্ব। অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখার সভাপতি মসিউর রহমান ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনসহ সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্পও এ বিষয়ে কাজ করে চলেছে উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা আশাকরি সরকার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ একযোগে কাজ করলে আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ দারিদ্র সীমা এবং অপুষ্টি জনিত সমস্যা অনেক কমে আসবে এবং আমরা মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারব। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্প সরকারের সাথে সমানতালে কাজ করে যাবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্প বিগত দু’দশকে যতটা অগ্রগতি অর্জন করেছে তার প্রেক্ষিতে আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের এক নম্বর মাংস হবে মুরগির মাংস। তাঁর ভাষায় ডিম ও মুরগির মাংস হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ, সস্তার ও স্বাস্থ্য-সম্মত প্রোটিন।
মসিউর বলেন, একটা গরু খাদ্য উপযোগী হয়ে উঠতে সময় লাগে কম করে হলেও দেড় বছর, ছাগল ৭-৯ মাস এবং মাছ প্রকার ভেদে ৪-৯ মাস। অথচ মুরগি খাদ্য উপযোগী হয়ে উঠে মাত্র ৩০-৩২ দিনে।
তিনি বলেন, বর্তমানে পোল্ট্রিখাতে প্রায় ৬০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ২০২০ সাল নাগাদ প্রায় এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে আমরা পোল্ট্রি পণ্যের রফতানি শুরু করতে পারব’। তিনি জানান, বিশ্বের প্রায় ২৩টি দেশের প্রতিষ্ঠান, গবেষক ও বিজ্ঞানী তিন দিনব্যাপী পোল্ট্রি শো ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। মেলা পরিদর্শন করেছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এফএও কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ মি. মাইক রবসন বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পুষ্টি ঘাটতি পূরণে পোল্ট্রি শিল্প ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ডিম ও মুরগির মাংস খাওয়ার পরিমান আরও বাড়াতে হবে। মা ও শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ সম্ভব হলে সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জন সহজতর হবে।
ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ই.এন সিলভা ব্রাজিলে পোল্ট্রি শিল্পের অভাবনীয় অগ্রগতির কথা তুলে ধরে বলেন, ব্রাজিলের মডেল বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে। আগামী ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে চীনের বেইজিং-এ ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি কংগ্রেসে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি ড. রোয়েল মোল্ডার ।