Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১০:৩৩ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ছিল সংবিধান রক্ষা দিবস : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, পাঁচ জানুয়ারির নির্বাচন গণতন্ত্র হত্যা নয়, এই নির্বাচন ছিল সংবিধান রক্ষার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া নির্বাচন বানচাল করে সংবিধান হত্যা করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করতে চেয়েছিলেন। সুতরাং খালেদা জিয়ার গণতন্ত্র হত্যা দিবস আসলে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস নয়। ২০১৪ সালের পাঁচ জানুয়ারি ছিল সংবিধান রক্ষা দিবস।’ খালেদা জিয়া গণতন্ত্র-সংবিধান হত্যা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু জনগণ সংবিধান রক্ষা করেছে।’
তথ্যমন্ত্রী আজ নগরীর শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে ঢাকা মহানগর জাসদ সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে ‘অসাংবিধানিক অস্বাভাবিক সরকার আনার ষড়যন্ত্রের রাজনীতি : গণতান্ত্রিক শক্তির করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
ঢাকা মহানগর জাসদ সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক মীর হোসাইন আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাসদ-এর সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, স্থায়ী কমিটির সদস্য শিরীন আখতার এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক করিম সিকদার প্রমুখ।
পাঁচ জানুয়ারি ‘সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও গণতন্ত্র রক্ষা দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর জাসদ আজ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
হাসানুল হক ইনু বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। নির্বাচন এড়ানো সম্ভব ছিল না। খালেদা জিয়া সব কিছু জেনেও অযৌক্তিক দাবি তোলেন, সংলাপ এড়িয়ে যান, সংলাপ প্রত্যাখ্যান করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক ছাড় দিয়ে নির্বাচনকালীন সরকারে খালেদা জিয়াকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। কিন্তু খালেদা জিয়া সংলাপ-সমঝোতা-সমাধানের পথ বাদ দিয়ে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন, নাশকতা-অন্তর্ঘাত-হত্যা-খুনের তান্ডবে মেতে উঠেন।
জাসদ সভাপতি বলেন, খালেদা জিয়া আসলে নির্বাচন বানচাল করতে চেয়েছিলেন, নির্বাচন তার এজেন্ডা ছিল না। তার উদ্দেশ্য ছিল দেশকে সাংবিধানিক ধারার বাইরে ঠেলে দেয়া। অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরী করে অস্বাভাবিক সরকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালানো। তিনি নির্বাচন বানচাল করে সংবিধান হত্যা করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করতে চেয়েছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র-সংবিধান হত্যার অপচেষ্টার মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের রাজনীতি থেকে নিজেকে নিজেই ‘মাইনাস’ করেন। খালেদা-তারেক বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী-জঙ্গীবাদী দলে পরিণত করে এবং বিএনপি-জামাত এখন জঙ্গী উৎপাদনে ও পুনরুৎপাদনের কারখানায় পরিণত হয়েছে।
শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়েছে এবং উগ্র ধর্মীয় জঙ্গিবাদী ষড়যন্ত্র মোকবেলা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচন বয়কট ছিল অপ্রত্যাশিত, এর মাধ্যমে তারা দেশের ক্ষতি করেছে, নিজেদেরকে দুর্বল করেছে। দেশি-বিদেশি জঙ্গী সন্ত্রাসীরা তাকে বাঁচাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।

FOLLOW US: