ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:০৬ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

১৯৯০-এর মুক্ত হওয়া গণতন্ত্র আবার শৃংখলিত

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, নূর হোসেন যে স্বপ্ন নিয়ে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তার সে স্বপ্ন আজও পুরোপুরি সফল হয়নি। ১৯৯০-এর মুক্ত হওয়া গণতন্ত্র আবার শৃংখলিত হয়েছে। দেশ থেকে গণতন্ত্রকে চিরতরে নির্বাসনে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে
সোমবার নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে লন্ডন সফররত বেগম খালেদা জিয়া এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি নূর হোসেনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ও তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

খালেদা জিয়া বলেন, সাবেক স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সঙ্গী করে নিহত যুবলীগ কর্মী নূর হোসেনের রক্তের সঙ্গে আওয়ামী লীগ প্রতারণা করছে । এদেশ থেকে গণতন্ত্রকে চিরতরে নির্বাসনে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। একতরফা নির্বাচন করে বেনামী একদলীয় সরকার ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার গোপন চক্রান্ত এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে শহীদ নূর হোসেন আমাদের প্রেরণা। তার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে একটি মুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ ফিরে পেতে আমাদের সচেষ্ট হতে হবে।

খালেদা জিয়া তার বিবৃতিতে বলেন, সেদিনের পতিত স্বৈরাচার বর্তমান বিনাভোটের সরকারেরই সহযোগী। এতে কি নূর হোসেনের আত্মা শান্তি পায় ? নূর হোসেন আওয়ামী যুবলীগের কর্মী ছিলেন। নিজ দলের কর্মীর রক্তের সঙ্গে এটা কি প্রতারণা নয় ?

বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ঘটনাপ্রবাহে নূর হোসেন একটি অবিস্মরণীয় নাম। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের এক লড়াকু সৈনিক হিসেবে তিনি রাজপথে নেমে এসেছিলেন বুকে-পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ স্লোগান লিখে।

গণতন্ত্রের দাবিতে সোচ্চার এই যুবকের বুকে-পিঠে উচ্চারিত শব্দমালা মুছে দিতে স্বৈরশাসকের বন্দুক বিদীর্ণ করেছিল নূর হোসেনের বুক-পিঠ। তার রক্তের ধারা বেয়েই নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরশাসকের পতন ঘটে, মুক্ত হয় গণতন্ত্র।