ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:১৪ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

শেখ হাসিনা

১৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক’ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ চলতি বছরের একুশে পদকপ্রাপ্তদের মাঝে একুশে পদক বিতরণ করেছেন।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সকালে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ বছরের একুশে পদক বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেন।

‘অপরাজেয় বাংলার’ ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী এবং দৈনিক জনকন্ঠের নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়সহ ১৭ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের হাতে ২০১৭ সালের ‘একুশে পদক’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

ভাষা আন্দোলন, শিল্পকলা (সংগীত, চলচ্চিত্র, ভাস্কর্য, নাটক ও নৃত্য), সাংবাদিকতা, গবেষণা, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সমাজসেবা, ভাষা ও সাহিত্যে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

পুরস্কার হিসেবে একটি সনদপত্র, স্বর্ণপদক এবং দুই লাখ টাকার চেক বিজয়ীদের হাতে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. ইব্রাহিম হোসেন খান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম শফিউল আলম পদক বিতরণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এবং পদক বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, বিচারপতিবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, কূটনৈতিক মিশনের সদস্যবৃন্দ, পদস্থ সরকারি ও বেসরকারি কমৃকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পদক বিজয়ী অন্যরা হচ্ছেন- ভাষা আন্দোলনের জন্য ভাষাসৈনিক অধ্যাপক ড. শরিফা খাতুন, শিল্পকলায় (সংগীত) সুষমা দাস, ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম (বংশীবাদক,শাস্ত্রীয় সঙ্গীত), জুলহাস উদ্দিন আহমেদ (স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী), শিল্পকলায় (চলচ্চিত্র) তানভীর মোকাম্মেল (লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা), শিল্পকলায় (নাট্যশিল্পী) সারা যাকের, গবেষণায় সৈয়দ আকরম হোসেন, শিক্ষায় প্রফেসর ইমেরিটাস আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও লেখক), সাংবাদিকতায় আবুল মোমেন, সমাজসেবায় অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান (আইপিজিএমআর’কে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারি), ভাষা ও সাহিত্যে সুকুমার বড়ুয়া (ছড়াকার), শিল্পকলায় (নৃত্য) শামীম আরা নীপা এবং শিল্পকলায় (সংগীত) রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম ওরফে মাহমুদ সেলিম (গণসঙ্গীত শিল্পী, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডসহ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রতিবাদকারি) এবং ভাষা ও সাহিত্যে (মরণোত্তর) কবি ওমর আলী।

বিজয়ী সকলেই প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে পদক গ্রহণ করেন। মরণোত্তর কবি ওমর আলীর পক্ষে তার ছেলে মো. রফি মনোয়ার আলী প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে পদক গ্রহণ করেন।