ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:৫৬ ঢাকা, শুক্রবার  ১৯শে জানুয়ারি ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

“১৫ আগস্ট মিথ্যা জন্মদিনে কেক কাটার অর্থ খুনিদেরই উৎসাহিত করা”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পনের আগস্ট জন্মদিন না হলেও ওই দিন কেক কেটে জন্মদিন পালন করে খুনিদেরই উৎসাহিত করা হয়।
তিনি আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য আব্দুল মতিন খসরুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ আগস্ট কারো জন্মদিন হতেই পারে, এদিন কারো জন্মদিন হবে না সেটা না। কিন্তু যার জন্ম দিন না, সে যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে মিথ্যা জন্মদিন ঘোষণা দিয়ে, বিশাল বিশাল কেক, যত বয়স তত বড় কেক কেটে উৎসব করে খুনিদের উৎসাহিত করা, খুনকে, হত্যাকে স্বীকৃতি দেয়ার মতো বিকৃত মানসিকতাও দেখেছি। এখনও এটা হচ্ছে। তবে সময়ের বিবর্তনে এসব পরিবর্তন হবে।’
তিনি বলেন, মিথ্যা জন্মদিনের বিষয়ে দেশের মানুষ আজ বুঝতে পেরেছে। এ ধরনের ঘটনাকে সাধারণ মানুষ ধিক্কার দিচ্ছে।
ব্যক্তিকে হত্যা করা যায়, আদর্শকে নয় উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আদর্শকে হত্যা করা যায় না। জাতির পিতাকে শুধু হত্যা নয়, হত্যা করে তার নাম মুছে ফেলে ইতিহাস বিকৃত করে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫ সালে এদেশে যারা শিশু ছিল তারা বড় হয়েছে এই বিকৃত ইতিহাস শিখে। কিন্তু ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরা হয়। তখন মানুষের সেই ভ্রান্তিটা কেটে গেছে। একটা সময় ছিল যখন বঙ্গবন্ধুর নামে কোন অনুষ্ঠান করা যেত না। এমনকি ৩২ নম্বরের সামনে রক্তদান কর্মসূচি পালিত হতো। এটা করতেও বাঁধা এসেছে। কালক্রমে এ অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। এখন সারা দেশের মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে ১৫ আগস্ট পালন করে।