ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:৫৭ ঢাকা, শুক্রবার  ২৭শে এপ্রিল ২০১৮ ইং

“হাছান স্মরণকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বেয়াদব”- সাজেদা , “ফুফু হয়ত কিছু বলেছেন আমি শুনিনি”- হাছান

শীর্ষ মিডিয়া ২৮ সেপ্টেম্বর ঃ  শেখ হাসিনার জন্মদিনে রোববার দুপুরে ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সামনে এক সমাবেশে বক্তব্যের সময় অন্য সমাবেশ থেকে মাইকে হাছান মাহমুদের বক্তব্যের যন্ত্রণায়  বিরক্তি প্রকাশ করে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী  আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদকে স্মরণকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বেয়াদব আখ্যা দিয়ে বলেছেন, আমি এই বেয়াদবি আর সহ্য করবো না।

শেখ হাসিনা নয় দিনের সফরে দেশের বাইরে থাকায় আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী সাজেদা চৌধুরী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন।৩২ নম্বর সড়কের পশ্চিম পাশে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাবেশ চলাকালে পূর্ব পাশে মটরচালক লীগের সমাবেশে বক্তব্য রাখছিলেন হাছান মাহমুদ।একই সময়ে কাছাকাছি দুটি সমাবেশ চলায় একটির মাইকের শব্দ অন্যটিতে আসছিল, যাতে বিরক্তিভরা কণ্ঠে বক্তব্য শুরু করেন সংসদ উপনেতা সাজেদা।

এ সময় সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী  ড.  হাছান মাহমুদের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে  হাছান মাহমুদের উদ্দেশ্যে সাজেদা বলেন, এখানে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য হবে না। এই জামায়াতি কায়দায়  পাল্টাপাল্টি সমাবেশ আওয়ামী লীগ অতীতে করেনি। ভবিষ্যতেও আশা করে না। আজকের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ দেখে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি। উপস্থিত নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনাদের কাছে এই বেয়াদবির বিচার দিয়ে গেলাম।তিনি হাছানকে উদ্দেশ্য করে আরো বলেন, উনি কে?   কী ছিলেন?   আমি জানি।  কিভাবে উনি নেতা হয়েছেন?  এই ধরণের আস্ফালন আমি আমার রাজনৈতিক জীবনে দেখিনি উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, এখন নতুন নতুন নেতা জন্মে বেয়াদবি শুরু করেছে।  সৈয়দা সাজেদা বলেন, ‘যখন ‍লাশ পড়েছিল তিনদিন। কেউই ছিল না। প্রতিবাদ করেনি। এখন অনেকেই নেতা বনে গেছে। বঙ্গবন্ধুর নামে প্রচার শুরু করেছে। আপনি কে? মুক্তিযুদ্ধের সময় আপনি কোথায় ছিলেন? এখন বড় বড় কথা বলছেন। বেয়াদবি করছেন। এই বেয়াদবি আমি বরদাস্ত করব না।

হাছান মাহমুদের বক্তব্যে  ঃ

সাজেদা চৌধুরীর  মন্তব্য সম্পর্কে  হাছান মাহমুদ  বলেন, আমি জানতামই না পাশের স্বেচ্ছাসেবক লীগের অনুষ্ঠানে সাজেদা ফুফু রয়েছেন। আয়োজকরাও বিষয়টি জানতো না।ওখানে হানিফ ভাইয়ের বক্তব্যের পর আমার অনুষ্ঠানে আমি বক্তব্য শুরু করি। আমাদের আওয়াজ যেমন ওখানে যাচ্ছিল, সেখানকার আওয়াজও আসছিল। ভাষণের দু’তিন মিনিটের মধ্যে যখন জানতে পারি সাজেদা ফুফু বক্তব্য দিচ্ছেন তখনই মাইক বন্ধ করে দিই। সাজেদা চৌধুরীর বক্তব্যের পরই তিনি আবার বক্তব্য রাখেন বলে জানান হাছান।ফুফু হয়ত কিছু বলেছেন আমি শুনিনি, এখন জানলাম। আয়োজকরা তো জানতই না সাজেদা ফুফু আছেন সেখানে। আমার তো জানার প্রশ্নই উঠে না। আমি বা আমরা যে বিষয়টা জানি না, সাজেদা ফুফু তাও জানতেন না মনে হয়।