ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:০৪ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

হলি আর্টিজান

হলি আর্টিজানে জঙ্গিদের হাতে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার এক বছর পূর্তিতে সেখানে জঙ্গিদের হাতে নিহত দেশি-বিদেশিদের শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।

আজ শনিবার সকাল থেকে গুলশানের ৭৯ নম্বর রোডের এ রেস্তোরাঁয় নিহতদের শ্রদ্ধা জানাতে ফুল নিয়ে আসছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও নিহতদের স্বজনরা।

এ উপলক্ষে আজ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চার ঘণ্টার জন্য হলিজান আর্টিজান রেস্তোরাঁ সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার কথা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, বিএনপির পক্ষে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এসময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগরীর বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী হলি আর্টিজানে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ, বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পাটি, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি (ঘাদানিক) নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নিহতদের শ্রদ্ধা জানাতে আসেন বিদেশি কূটনীতিক, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরাও।

ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, জামায়াতে ইসলাম, হেফাজতে ইসলামসহ ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দানকারী দলগুলোকে নিষিদ্ধ করতে হবে। তাহলে দেশ থেকে জঙ্গি নির্মূল হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিনী, শহীদ বুদ্ধিজীবী কন্যা নুজহাত আলিম, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী প্রমুখ।

সকাল থেকেই হলি আর্টিজানে বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন সর্বস্তরের নারী-পুরুষ ও শিশুরা। সাধারণ পথচারীও এ সময় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে হলি আর্টিজানের নৃশংস হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদ জানান অনেকেই। সেখানে ছিলেন নিহতদের স্বজনরাও। বয়স্কদের পাশাপাশি শিশুরাও ছিলো এই শোকের কাতারে।

বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নিহতদের স্বজনদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয়।

এদিকে হলি আর্টিজানের হামলার বর্ষপূতিতে ওই এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে হলি আর্টিজান বেকারিতে একদল জঙ্গির হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা ও ১৭ বিদেশিসহ ২২ জন প্রাণ হারান। পরদিন সকালে কমান্ডো অভিযান চালিয়ে হলি আর্টিজানের নিয়ন্ত্রণ নেয় নিরাপত্তা বাহিনী। অভিযানে নিহত হয় ৬ জঙ্গী।