ব্রেকিং নিউজ

রাত ৩:৫৮ ঢাকা, সোমবার  ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

হয়রানীমূলক মামলা: দুদক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

হয়রানীমূলক মামলা দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত এক স্কুল শিক্ষিকাকে হেনস্থা করায় সাবেক দুদক কর্মকর্তা ও বর্তমানে ডিবির সহকারী কমিশনারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযুক্ত ঐ কর্মকর্তার নাম রেজাউল হাসান তরফদার।

ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালত সম্প্রতি এক রায়ে বলেছেন, মিথ্যা সাক্ষ্য, ভুয়া কাগজ দেখানোসহ সব কিছু করলেও কোন ভাবেই তা প্রমান করতে পারেন নি ঐ কর্মকর্তা। তাই খালাস পান অভিযুক্ত ঐ শিক্ষিকা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়,ঘটনার শুরু ২০১২ সালে। ২৫ বছর চাকরির মেয়াদ শেষে ২০০৯ সালে অবসরে যান লালবাগের আব্দুল গনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মনোয়ারা বেগম। এর তিন বছর পর ২০১২ সালে সনদ জালিয়াতিতে তার বিরুদ্ধ মামলা করে দুদক। অভিযোগে বলা হয় ২৫ বছর চাকরি করে রাষ্ট্রের একুশ লক্ষ সাতষট্টি হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। আর মামলা হওয়ার পর থেকেই পলাতক মনোয়ারা বেগম। মামলার রায়ের পর্যবেক্ষনে বলা হয়েছে ভূয়া কাগজ পত্র প্রস্তুত করে মামলা প্রমানে চেষ্টা করেছেন দুদকের মামলার বাদী। আর দুদকে কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে পরীক্ষার সনদ জালিয়াতির মামলার অনুমোদনও নেন তিনি। কিন্তু কোন যুক্তিতেই তা প্রমানে সক্ষম হননি। আর তাই রায়ে উল্লেখ করা হয় সনদ জালিয়াতির ঐ মামলা থেকে খালাস দেয়া হলো মনোয়ারা বেগমকে।
মামলার রায়ে আরো বলা হয়েছে, অবসর প্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার সনদ নিয়ে মামলাটি দুদকের ঐ কর্মকর্তা করেছিলেন তা সম্পূর্ণ হয়রানির উদ্দেশ্যে করা। আর তা প্রমাণে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন রেজাউল হাসান তরফদার নামে দুদকের ঐ সাবেক কর্মকর্তা। আর এসব বিবেচনায় ঐ দুদক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশও দেন আদালত। ব্যবস্থা নিতে বলা হয় পুলিশকেও।
পুলিশ ও দুদককে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।