Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:৩৩ ঢাকা, বুধবার  ২১শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

হত্যা-সন্ত্রাসের বিচার প্রতিপক্ষকে ঘায়েল-ভিন্নমত দমন নয়: তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘একাত্তরের গণহত্যা, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যা, একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও আগুন সন্ত্রাসের বিচার কোনো প্রতিপক্ষকে ঘায়েল বা ভিন্নমত দমন নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রকে কলংকমুক্ত করারই প্রক্রিয়া।

‘মাঠের খুনির সাথে নির্দেশদাতা ও ষড়যন্ত্রকারীও অপরাধী এবং এদের কারোই বিচারের হাত থেকে রেহাই নেই’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ‘বাংলাদেশ হেরিটেজ ফাউন্ডেশন ন্যাশনাল সিকিউরিটি এনকাউন্টার টেরোরিজম’ বেসরকারি সংস্থা আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালতে বসনীয় সার্ব যুদ্ধাপরাধী রাদোভান কারাদিচের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের শাস্তি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের জন্য তাৎপর্যবহ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

আয়োজক সংস্থার চেয়ারম্যান ওয়ালি-উর-রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)-এর প্রধান তদন্ত সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান, প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম, রানা দাশগুপ্ত, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী সিকদার, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী প্রমুখ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তর-পরবর্তীকালে জিয়াউর রহমান রাজনীতিতে অপরাধীদের জায়গা করে দেন। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি ও মহিমান্বিত করার মধ্যদিয়ে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন করেন। বেগম খালেদা জিয়াও অপরাধীদের রক্ষার অপসংস্কৃতি অব্যাহত রাখেন এবং আগুন সন্ত্রাসে নেতৃত্ব দেন।’

কিন্তু ‘গণতন্ত্রে অপরাধীদের জায়গা নেই’ উল্লেখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রকে কলংকমুক্ত করার যে প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছেন তা রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের অপসংস্কৃতি থেকে দেশকে মুক্তি দেবে। কারণ, যতদিন অপরাধীদের দায়মুক্তির অপচর্চা থাকবে, ততদিন অবিচার-সন্ত্রাস চলতে থাকবে।’

আলোচকবৃন্দ আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালতে বসনীয় সার্ব যুদ্ধাপরাধী রাদোভান কারাদিচের গণহত্যার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও ৪০ বছরের কারাদন্ডকে যুদ্ধাপরাধের বিচারের সাম্প্রতিক উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করে বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচারের সাথে এর সাদৃশ্য তুলে ধরেন।