ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:৫৬ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম
ফাইল ফটো

‘হত্যাকারীদের জন্য আবার মানবতা কিসের ?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, যারা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধও চলবে।

তিনি বলেন, কোন ইলেকশনের মাধ্যমে স্বাধীনতা আসে নাই, আমরা যুদ্ধ করে এদেশকে স্বাধীন করেছি। কোন বিদেশী শক্তির অনুকম্পা নিয়ে নয়।

সৈয়দ আশরাফ আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে সভার আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি মোল্লা মোঃ আবু কাওছারের সভাপতিত্বে শোক সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ এমপি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোবাশ্বের চৌধুরী, দক্ষিণের সভাপতি দেবাশীষ বিশ্বাস প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সৈয়দ আশরাফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন প্রতিশ্রুতি দিলে তা তিনি লংঘণ করেন না। তাই কোন সন্ত্রাসী-জঙ্গি সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্থ করতে পারবে না। যেকোন মুল্যে তাদের বাংলার মাটিতে প্রতিহত করা হবে।

গুলশান হলি আর্টিজানে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান ও তাদের নিহত হওয়ার ঘটনা এবং এ প্রক্রিয়া নিয়ে যারা দ্বৈতনীতি অনুসরণ করে কথা বলছেন তাদের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জঙ্গিদের নিহত হওয়ার ঘটনায় মায়াকান্না করেন যারা, তাদের অনুরোধ করব তারা লিবিয়া, সিরিয়া ও ইরাক চলে যান। সেখানে শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন। তিনি বলেন, গুলশানের একটি ছোট ঘটনা, তিলকে তাল বানানো হল। একদিকে জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের মদদ দিবেন অন্যদিকে তাদের জন্যে মায়াকান্না করবেন তা হবে না। এখানে থেকে জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের জন্যে মায়াকান্নার কোন সুযোগ নেই।

সৈয়দ আশরাফ বলেন, আমি ‘টক শো’ দেখি, নিয়মিত পত্রিকা পড়ি। এই যে কিছু মানুষের চরিত্র দেখে মাঝে মধ্যে লজ্জা লাগে। তারা বলে, কেন গুলশান হলি আর্টিজানে হামলা হল, কেন সেখানে নিরীহ মানুষগুলোকে আমরা রক্ষা করতে পারলাম না। আবার বলা হয়, কেন সেখানে হামলাকারী জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের মারা হল, তাদের জন্যে বিলাপ করা হয়। হামলাকারীদের মানবাধিকার নিয়ে কথা বলা হয়। আমি বলতে চাই, যারা হত্যাকারী তাদের জন্য আবার মানবতা কিসের।

তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদকে মদদ দেন, যারা হত্যাকারীদের জন্যে মায়াকান্না করেন তারা বাংলাদেশকে কখনও স্বীকার করে নাই, ভবিষ্যতেও স্বীকার করবে না।