Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১২:০০ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২০শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

স্বীকারোক্তিঃ নারায়ণগঞ্জে একাই হত্যা করে পাঁচজনকে

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৫ খুনের ঘাতক একজনই। মামীর সঙ্গে জোর করে অবৈধ মেলামেশা করতে ব্যর্থ হয়ে পাটার শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে একে একে ৫ জনকে হত্যা করে মাহফুজ ওরফে ভাগ্নে মারুফ। পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, আজ নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাইদুজ্জামান শরীফের আদালতে ১৬৪ ধারায় মাহফুজের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। জবানবন্দিতে মাহফুজ ওরফে ভাগ্নে মারুফ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে দুই শিশুসহ ওই পরিবারের পাঁচজনকে তিনি একাই হত্যা করেছেন বলে স্বীকারোক্তি দেন। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল সোয়া ৩টা পর্যন্ত এই জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। পুলিশ সুপার জানান, মাহফুজ আগে থেকেই ঘরের খাটের নীচে ওঁৎপেতে বসে ছিলেন। ওই ঘরের সামনের কক্ষে ছোট মামা শরীফ ও মামী লামীয়া থাকতেন। পেছনের কক্ষে বড় মামা শফিকুল ও মামী তাসলিমা তার এক ছেলে এক মেয়েসহ ছোট ভাই মোশারফকে নিয়ে থাকতেন। পুলিশ সুপার আরো জানান, ঘটনার দিন রাতে লামিয়ার কক্ষে মোশারফ আর তাসলিমার কক্ষে লামিয়া ঘুমায়। এতে লামিয়াকে না পেয়ে প্রথমে মোশারফ এবং পরে তাসলিমাকে ঘুমন্ত অবস্থায় পাটার শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে মাহফুজ। এসময় লামিয়া তা দেখে চিৎকার করলে তাকে ধরে প্রথমে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে মাহফুজ। ব্যর্থ হয়ে পরে তাকেও পাটার শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে সুমাইয়ার মাথায় লাগে। এতে সুমাইয়ার মৃত্যু হয়। পরে আবার লামিয়ার মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। এরপরই শান্তকেও হত্যা করে এই পাষণ্ড। পাঁচজনকে হত্যা শেষে মাহফুজ ঘরে কিছুক্ষণ বসে ছিলেন বলেও পুলিশ সুপার জানান। চাঞ্চল্যকর এই পাঁচ খুনের ঘটনায় শনিবার রাতেই ঘটনাস্থল থেকে মাহফুজকে আটক করে পুলিশ।