ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১২:২৩ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২০শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

সুফিয়া কামালের লেখনী প্রগতি, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র এবং নারী মুক্তির বিকাশের অনুপ্রেরণা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কবি সুফিয়া কামালের লেখনী যেমন পাঠককে আলোড়িত করে, তেমনি আমাদের সমাজে প্রগতি, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র এবং নারী মুক্তির বিকাশে তাঁর দিক নির্দেশনা সবাইকে অনুপ্রেরণা দেয়।
বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত কবি বেগম সুফিয়া কামালের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
তিনি বলেন, সুফিয়া কামাল ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপোশহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। শিশুতোষ রচনা থেকে শুরু করে সাহিত্যের প্রায় সকলক্ষেত্রে কবি সুফিয়া কামালের লেখনী যেমন পাঠককে আলোড়িত করে, তেমনি আমাদের সমাজে প্রগতি, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র এবং নারী মুক্তির বিকাশে তাঁর দিক নির্দেশনা সবাইকে অনুপ্রেরণা দেয়।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবি জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে আন্দোলন করেন। শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা’র তিনি প্রতিষ্ঠাতা।
শেখ হাসিনা বলেন, বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।
তিনি আরো বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পচাঁত্তরের পনেরই আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে যখন দেশের ইতিহাস বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনও তাঁর সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী এ উপলক্ষ্যে কবি সুফিয়া কামালের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।