ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৪৮ ঢাকা, শনিবার  ১৭ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

সুন্দরবনকে রক্ষার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে আরও ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে শ্যালা ও পশুর নদীতে ছড়িয়ে পড়া ফার্নেস ওয়েল সরিয়ে নেয়ার কাজ ত্বরান্বিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ গোপালগঞ্জ ও যশোর জেলার কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারদের সঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে রক্ষার বিষয়টি আরও ঘনিষ্ঠভাবে মনিটর করার নির্দেশ দেন।
তিনি মংলা বন্দর থেকে পণ্য পরিবহনে বিকল্প নৌপথ চালুর পদক্ষেপ নেয়ারও নির্দেশ দেন। শেখ হাসিনা বলেন, নৌযানগুলো মংলা বন্দরে পৌঁছতে এখন ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার বেশী সুন্দর বনের ভিতর দিয়ে চলাচল করছে।
তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মংলা বন্দরকে পরিত্যক্ত করে রাখে। তখন থেকে প্রধান নৌপথ ঘাশিয়া খাল খনন না করে ফেলে রাখা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, সরকার ইতোমধ্যে খালটি খনন করার এবং সেখান থেকে চিংড়ি প্রকল্পগুলো সরিয়ে ফেলার জন্য নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে এ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন। এ ভিডিও কনফারেন্সে গোপালগঞ্জ ও যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এবং ঢাকা ও খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়কে মন্ত্রিসভার কক্ষের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, সরকারের কর্মকা-, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি, স্থানীয় সমস্যা এবং ক্যাম্পাস পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি এসব বিষয় স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন।
শেখ হাসিনা চিরাচরিত মনমানসিকতা পরিহার করে নতুন নতুন চিন্তা-ভাবনা নিয়ে সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
এ সময় কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, রেলওয়ে মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক এবং পদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভিডিও কনফারেন্স পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।