ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৩:৪২ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে-বাংলাদেশ মর্যাদার সঙ্গে চলবে : প্রধানমন্ত্রী

দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশ মর্যাদার সঙ্গে চলবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আজকের বিজিবি ও তৎকালীন ইপিআর-এর গৌরবময় ভূমিকা প্রশংসনীয়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে এই সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
সকালে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) দিবস- ২০১৫ উদযাপনে কুচকাওয়াজ, সালাম গ্রহণ ও বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন সদস্যদের পদক প্রদান শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ২২০ বছরের ঐতিহ্যবাহী সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এই বাহিনীর রয়েছে গৌরবময় সমৃদ্ধ ইতিহাস।
তিনি বলেন, এই বাহিনী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে তৎকালীন ইপিআর’র বেতারকর্মীরা এই পিলখানা থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা সমগ্র দেশে প্রচার করেছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ওয়্যারলেস যোগে প্রচার করায় ইপিআরের সুবেদার মেজর শওকত আলী এবং আরও ৩ সদস্যকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজিবির অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ মর্যাদার সঙ্গে চলবে। এসময় সীমান্তসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্বপালনে আগের চেয়ে বেশি সফলতা অর্জন করার জন্য বিজিবিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

বিডিআর বিদোহকে ইতিহাসের একটি ‘কালো অধ্যায়’ আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, সে সময় সরকার গঠনের পরপরই বিদ্রোহের একটি রক্তাক্ত অধ্যায় আমাদের মোকাবেলা করতে হয়েছিল।
বিদ্রোহের মতো আত্মঘাতী সংঘাতের পুনরাবৃত্তি এড়াতে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবস ২০১৫ উদযাপন অনুষ্ঠানে সকাল ৯টা ৪ মিনিটে পিলখানার বিজিবি সদর দফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিজিবি সদস্যদের কুচকাওয়াজ দেখেন ও তাদের সালাম গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নিরাপত্তায় অবদান রাখায় ৫৬ জন বিজিবি সদস্যের মধ্যে বিজিবি পদক, প্রেসিডেন্ট বিজিবি পদক এবং বিজিবি সেবা পদক প্রদান করেন। এছাড়া বিজিবির বিভিন্ন ব্যাটালিয়নের সালাম গ্রহণ ও পদক প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত হয়েছেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ।