ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:৩৮ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘সিম নিবন্ধনের সময়সীমা না বাড়ানোর ইঙ্গিত’

আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) পদ্ধতিতে চলমান সিম নিবন্ধন কার্যক্রমের সময় বাড়ানো হবে কি না এ বিষয়ে আজ চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী ৩০ এপ্রিল জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সিম নিবন্ধনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ এ জন্য আরো দুই দিন অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিম নিবন্ধনের এই কাজটি শেষ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য ৩০ এপ্রিল রাত ১০টা পর্যন্ত সব মুঠোফোন অপারেটরের গ্রাহক সেবা কেন্দ্র ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র খোলা থাকবে। আগামী দুই দিন সরকারি ছুটি থাকলেও নির্বাচন কমিশনের অধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) সব আঞ্চলিক কার্যালয়ও ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত খোলা রাখার কথাও জানান তিনি। সিম নিবন্ধন করতে গিয়ে আঙুলের ছাপ না মেলাসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল তথ্য ঠিক করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

সিম নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে আজ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, ‘সিম নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়াতে অপারেটরদের আবেদনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো জনগণ কী চায়। জনগণ যদি মনে করে আরো সময়ের প্রয়োজন, তাহলে সরকার সেটি অবশ্যই বিবেচনা করে দেখবে।’

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৭ কোটি ৩৩ লাখ সিম সফলভাবে নিবন্ধিত হয়েছে। আর এ সময়ে আঙুলের ছাপ ও তথ্য না মেলায় এক কোটির বেশি সিমের নিবন্ধন সফল হয়নি। বর্তমানে দেশে চালু থাকা মোট সিমের সংখ্যা ১৩ কোটি ৮ লাখ। সে হিসেবে মোট সিমের ৫৬ শতাংশ সফলভাবে নিবন্ধিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের বক্তব্য ও নির্দেশনা বিশ্লেষণে যতদূর মনে হচ্ছে আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ এপ্রিলই থাকছে, কেননা মোবাইল অপারেটরদের কাস্টমার কেয়ার ও এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) সেবা দেয়া কেন্দ্রগুলো ৩০ এপ্রিল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতিমন্ত্রী ১ মে থেকে অনিবন্ধিত সিমের সংযোগ ৩ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে রাখা হবে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছেন সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে সময়সীমা আর বাড়ছে না।  

এছাড়াও অপর এক বৈঠকের কথা উল্লেখ করে ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানিয়েছেন, টেলিটকের ২জি এবং ৩জি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সকল জেলা, উপজেলা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এক্সিম ব্যাংক চায়নার সাথে তার দপ্তরে আজ এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে এক্সিম ব্যাংক টেলিটকে বিনিয়োগ করতে খুবই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এবছরের মধ্যেই টেলিটককে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দিতে সক্ষম হবো।