ব্রেকিং নিউজ

রাত ৯:০৫ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

সার্চ কমিটি গঠন
বুধবার সন্ধ্যায় সার্চ কমিটির ছয় সদস্যের নাম সম্বলিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সার্চ কমিটি গঠন, এটা আ’লীগের পছন্দের কমিটি- বিএনপি

নতুন একটি নির্বাচন কমিশনের সদস্য কারা হবেন তা খুঁজে বের করার জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠন করেছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। এ দিকে বিএনপির পক্ষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

বুধবার সন্ধ্যায় সার্চ কমিটির ছয় সদস্যের নাম সম্বলিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সার্চ কমিটির প্রধান করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে।

এ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন – হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক, মহা হিসাব নিরীক্ষক মাসুদ আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম ও একমাত্র মহিলা সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শিরিন আখতার।

এ কমিটিকে দশ কার্যদিবসের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহ অন্য কমিশনারদের নাম সুপারিশ করতে হবে।

এ দিকে বিএনপির পক্ষে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রজ্ঞাপন জারির আগেই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে গঠিত সার্চ কমিটি আওয়ামী লীগের ইচ্ছানুযায়ী হয়েছে। যে সার্চ কমিটি হয়েছে তা আওয়ামী লীগের পছন্দের কমিটি। আমরা শুধু হতাশই হইনি, ক্ষুব্ধও। গঠিত সার্চ কমিটিতে জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেনি।

বুধবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্রপতি আলোচনা শুরুর পরে বিএনপি আশার আলো দেখেছিল। কিন্তু সেই আশা হতাশা-অন্ধকারে পরিণত হয়েছে। চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা পত্রপত্রিকা আর অনলাইন মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি সার্চ কমিটিতে কারা কারা আছেন। যেসব নাম দেখছি, তাতে এটা আওয়ামী লীগের পছন্দের সার্চ কমিটি। রাষ্ট্রপতি একটি প্রতিষ্ঠান। বিএনপির আশা করেছিল, তার কাছে নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত পাবে। একটি সুষ্ঠু সার্চ কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক সংকট থেকে জাতিকে বের করে আনার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, রাষ্ট্রপতি সেই উদ্যোগ গ্রহণ করলেন না। এখন বোঝা যাচ্ছে বাছাই কমিটি কি ধরনের ইসি গঠন করবে। এই কমিটির মাধ্যমে আবারও অন্ধকার গহ্বরের দিকে দেশকে ঠেলে দেয়া হলো। আওয়ামী লীগ আবারও ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন করতে চায়। ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।