Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:০১ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

সাবানেও জীবাণু থাকে!

এটুকু নিশ্চিত হয়ে বলা যায় যে, ব্যবহার শুরু করার পর সব সাবানেই কমবেশি জীবাণু থাকতে পারে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সেই সাবান ব্যবহারে আপনি অসুস্থ হয়ে যাবেন। যারা মোটামুটি সুস্থ শরীরের অধিকারী তাদের চিন্তিত হবার কিছু নেই। কিন্তু আপনি যদি কোনো কারণে অসুস্থ বা রুগ্ন হয়ে থাকেন, তবে বার সোপ বা সাবান ব্যবহার না করে লিকুইড সোপ ব্যবহার করাটাই আপনার জন্য শ্রেয়।

যে সাবান ব্যবহার করে আমরা হাত-মুখ ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করি, তার মাঝে যে জীবাণু থাকতে পারে তা ভুলে যান অনেকে। ব্যবহারের পর সাবানের উপরিভাগে যে পিচ্ছিল আবরন লেগে থাকে তার মাঝে বাস করতে পারে অনেক ব্যাকটেরিয়া। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললেই এসব ব্যাকটেরিয়া আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। ব্যবহারের আগে ট্যাপের পানিতে ধুয়ে নিন সাবানের বারটি। এতে সাবানের ওপরে থাকা ব্যাক্টেরিয়ার অনেকাংশই ধুয়ে চলে যাবে। আর ব্যবহারের পর পানি থেকে দূরে রাখুন সাবানের বার। কারণ আর্দ্র পরিবেশ জীবাণুদের পছন্দের এলাকা।

.শুধুমাত্র পরিবারের মানুষেরা যদি এই সাবানের বার ব্যবহার করে থাকে তাহএল তেমন কোনো সমস্যা হবে না। কারণ একই পরিবারর মানুষ হবার কারণে আপনাদের মাঝে জীবাণুগুলোও একই ধরণের হবে, সুতরাং সংক্রমণের আশংকা থাকবে কম। তবে পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন। পাবলিক টয়লেট বা ওয়াশরুমগুলোতে এখন লিকুইড সাবান ব্যবহারের চল শুরু হলেও বেশিরভাগ জায়গায় আপনাকে সাবানের ছোট একটা বারই ব্যবহার করতে হবে। এই বার আপনার আগে কতো মানুষ ব্যবহার করে গেছেন, তাদের হাতে কতো ধরণের জীবাণু ছিলো তা কেউ জানে না। যদি একান্তই পাবলিক টয়লেটের সাবান ব্যবহার করতে হয়, তবে প্রথমে ট্যাপের পানিতে সাবানটি ধুয়ে নিন। এরপর কমপক্ষে ২০-৩০ সেকেন্ড ধরে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন। হাটের উভয় পাশে, নখের ভেতরে, আঙ্গুলের ফাঁকে, কবজি পর্যন্ত অর্থাৎ ঠিক যেভাবে ডাক্তারেরা উপদেশ দেন সেভাবে হাত ধুয়ে ফেলুন। যথেষ্ট সময় নিয়ে হাত ধুলে ওই সাবানের বারে যেসব জীবাণু ছিলো তারাও আর আপনার হাতে থাকতে পারবে না।

(মূল: Amy Marturana, Huffington Post)