Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১১:৫৬ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২০শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

শেখ হাসিনার সরকারের সাফল্য

সাফল্যের সঙ্গে শেখ হাসিনার সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে পদার্পণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় মেয়াদের বর্তমান সরকার অর্থনীতি, অবকাঠামো, কূটনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক উন্নয়নের উল্লেযোগ্য অগ্রগতি অর্জনের মধ্যদিয়ে সাফল্যের সঙ্গে দেশ পরিচালনা করে পঞ্চম ও শেষ বছরে পদার্পণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও সাফল্য গত চার বছরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। এই সময়ে মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত মিয়ানমারের কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে শেখ হাসিনা মানবতা ও শান্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এর জন্য আন্তর্জাতিক মহল তাকে ‘মাদার অফ হিউমিনিটি’ এবং ‘নিউ স্টার অব দ্য ইস্ট’ অভিধায় ভূষিত করে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয় অর্জনের পর ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য সরকার গঠন করে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গতবছরে বাংলাদেশে অবকাঠামো উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পুষ্টি, মাতৃত্ব এবং শিশু স্বাস্থ্য, প্রাথমিক শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

দেশ আর্থ-সামাজিক সূচকসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রত্যাশাজনক সাফল্য অর্জন করেছে এবং মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিসহ এখন মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের কাজ অব্যাহত ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের জন্য যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অফ হিউমিনিটি’ বা ‘মানবতার জননী’ আখ্যা দিয়েছে।
চ্যানেল ফোর তাদের রিপোর্টে বলেছে- ‘হাজার-হাজার নিঃস্ব ও নির্যাতিত ব্যক্তি যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল নারী ও শিশু দেখেছে তাদেরকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিভাবে তাঁর বিশাল হৃদয় দিয়ে আগলে রেখেছেন।’

মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক খালিজ টাইমস, রোহিঙ্গাদের সংকট মোকাবেলায় শেখ হাসিনার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য তাকে ‘নিউ স্টার অব দ্য ইস্ট ’ বা ‘পূর্বের নতুন তারকা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক খালিজ টাইমস-এর সম্পাদক অ্যালান জ্যাকব তার মতামত কলামে লিখেছেন- ‘শেখ হাসিনা সমবেদনা শৈলী জানেন।’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমারের হাজার-হাজার নিঃস্ব ও নির্যাতিত রোহিঙ্গার জন্য মানবতা ও সমবেদনা জানিয়ে সীমান্ত খুলে দিয়ে নিজ দেশে আশ্রয় দিয়েছেন, তাইতো তিনি ‘পূর্বের নতুন তারকা’।

বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিদগণ শেখ হাসিনাকে এভাবে বর্ণনা করেছেন- ‘বিশ্ব শান্তির রাষ্ট্রদূত’ এবং ‘বিশ্ব মানবিকতার শীর্ষ নেতা’। তারা বলেছেন- বাংলাদেশের সীমান্তের বাইরে বর্বর নির্যাতনের শিকার হওয়া মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি অভূতপূর্ব মানবিকতার কাজ করেছেন।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হার্ভার্ড ডিভিনিটি স্কুলের ডীন ডেবিট হ্যাম্পটন, মনে করেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে শান্তির এক নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।

ক্যানবেরায় অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শান্তি ও গবেষণা ইন্সটিউটের প্রধান অধ্যাপক ড. হেনরিক উরদাল বিশ্বাস করেন- বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার অবদানের জন্য শেখ হাসিনা বিশ্ব শান্তির নেতা হিসেবে বিবেচিত হবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য পাঁচ দফা প্রস্তাব সম্বলিত যে ভাষণ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তার ভূয়সী প্রশংসা করেছে। -॥ সাজ্জাদ হোসেন সাবুজ ॥ বাসস