Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৯:২১ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৫ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

সানি ও নাসরিন
০৪/১২/২০১৪ তারিখে পরিবারকে না জানিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

সানির বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলাও দায়ের

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বাম-হাতি স্পিনার আরাফাত সানির তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করা স্ত্রী দাবিদার নাসরিন সুলতানা আরও একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলামের আদালতে যৌতুক আইনে মামলা করেন তিনি।

আদালত নাসরিনের অভিযোগ আমলে নিয়ে সানির বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। আগামী ৫ এপ্রিল তাকে আদালতে উপস্থিতির নির্দেশ দেন আদালত।

এর আগে নাসরিনের দায়ের করা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় রোববার ভোরে সানির নিজ বাড়ি সাভারের আমিন বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই ইয়াহিয়া ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম প্রণব কুমার হুইয়ে সানির একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজহারে নাসরিন সুলতানা অভিযোগ করেন, ৭ বছর আগে পরিচয় সূত্রে আমাদের ঘনিষ্ঠতা হয়। এক পর্যায়ে দু’জন ভালোবেসে ০৪/১২/২০১৪ তারিখে পরিবারকে না জানিয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। কিন্তু বিয়ের তিন বছরেও সানী দুই পরিবারের সঙ্গে আলাপ করে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে নেননি। বারবার এ বিষয়ে চাপ দিলেও তিনি কালক্ষেপণ করেন। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে নাসরিন সুলতানাকে বিয়ে দেয়ার জন্য তার পরিবার পাত্র খোঁজা শুরু করে। ওই সময় তাদের বিয়ের বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে তুলে নেয়া অথবা বিবাহ বিচ্ছেদের মাধ্যমে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য আরাফাত সানীকে অনুরোধ জানান নাসরিন।

আরাফাত সানির বিরুদ্ধে স্ত্রী দাবিদার নাসরিন সুলতানা মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার, অফিস ২০/সি, মেরাদিয়া, থানা খিলগাঁও, ঢাকা’ ঠিকানায় আদালতে যে কাবিননামা দাখিল করেছেন, ওই ঠিকানায় এখন ‘ভাই ভাই গোস্তের দোকান’ নামের একটি মাংসের দোকান। মাংস বিক্রেতা জলিল বলেন, এ ঠিকানায় কখনো কোনো দিন কাজি অফিস ছিল না। ভবন মালিক মো. আক্তার হোসেন জানান, ১০ বছরের মধ্যে কোনো কাজিকে তিনি ভাড়া দেননি। তাহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কাবিননামাটা কি ভুয়া?

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘গত বছরের ১২ জুন রাতে ১টা ৩৫ মিনিটে একটি ফেসবুক ফেইক আইডি থেকে নাসরিনের ফেসবুক মেসেঞ্জারে সানী-নাসরিনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ছবি পাঠানো হয়। ওই ফেইক আইডিটি আরাফাত সানির ব্যক্তিগত মোবাইলফোন নম্বর থেকে খোলা হয়েছিল এবং ওই ছবিগুলো শুধু সানির কাছেই ছিল।