শীর্ষ মিডিয়া

ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১২:৩৯ ঢাকা, শুক্রবার  ২২শে ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ইং

জাতীয় সংসদ
জাতীয় সংসদ, ফাইল ফটো

“সহায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন নয় “- সরকারি দল

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেছেন, কোন তত্ত্বাবধায়ক বা সহায়ক সরকার নয় আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায়।

তারা বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা করবে।
গত ৯ জানুয়ারি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করলে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন তা সমর্থন করেন।

গত ৭ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের ১৯তম ও বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ সংসদে এ ভাষণ দেন।

রাষ্ট্রপতির ভাষণে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আজ ১১তম দিনে সরকারি দলের আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন (নাছিম), মো. শামসুল হক টুকু, আবদুর রহমান, তাহজীব আলম সিদ্দিকী,পঞ্চানন বিশ্বাস, আবদুল হাই, সায়রা মহসিন ও জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজী আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, দেশে অনেক নিবন্ধিত দল রয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি আগামী নির্বাচনে না আসলেও নির্বাচন অবশ্যই গ্রহণমূলক হবে। কাউকে সেধে নির্বাচনে আনার দায়িত্ব আওয়ামী লীগ নেবে না। নির্বাচন হবে, যাদের ইচ্ছা অংশ নেবে, আর কারও নির্বাচনে অংশ নেয়া না নেয়া এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মাদার অব হিউম্যানিটি উপাধি পেয়েছেন। অথচ বিএনপি নেত্রী ও তার পুত্র তারেক রহমান রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন দূরের কথা একটি বিবৃতিও দেননি। কারণ তারাই রোহিঙ্গা সমস্যার পেছনে ইন্ধন যুগিয়েছে।

তারা বলেন, রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে দেশের উন্নয়নের যথাযথ চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি সরকারের উন্নয়নের একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল তুলে ধরেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ১৬১০ ডলার, প্রবৃদ্ধি ৭.৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩ হাজার ৩শ’ ডলার ছাড়িয়েছে, দেশের দারিদ্র্যতা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

সংসদ সদস্যরা বলেন, বিএনপি-জামায়াতের আমলে ৫ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন বিশ্বে সৎ রাষ্ট্র প্রধানদের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন আর বাংলাদেশের নয় সারাবিশ্বের নন্দিত নেত্রী।

তারা বলেন, দেশের সম্পদ লুটপাট করে জিয়া পরিবার সম্পদের পাহাড় গড়েছে। তারা এই সম্পদ দেশের মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের আহবান জানান।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশের অর্থনীতির সবকটি সূচক উর্ধ্বমূখী। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দিকে অগ্রসরমান। দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বে আবির্ভূত হবে।

তারা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সব খাতেই ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এ বিষয়টি আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। খাদ্য থেকে শুরু করে শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, গ্রামীণ অর্থনীতি, আর্থিক খাতসহ সর্বক্ষেত্রেই অনেক উন্নয়ন হয়েছে।