ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৮:৩৭ ঢাকা, সোমবার  ২০শে আগস্ট ২০১৮ ইং

সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর শহীদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
রাষ্ট্রপতি আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
রাষ্ট্রপতি পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই শহীদরা সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেন।
এসময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল সামরিক অভিবাদন জানায়। তখন বিউগলে অন্তিম সুর বেজে ওঠে।
পরে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আব্দুল হামিদ দর্শনার্থীদের বইতে স্বাক্ষর করেন।
এর আগে রাষ্ট্রপতি শিখা অনির্বাণ প্রাঙ্গণে পৌঁছালে তিন বাহিনীর প্রধানগণ ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার তাঁকে স্বাগত জানান।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মকভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর শহীদদের প্রতি আজ গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল অভিবাদন জানায় এবং তখন বিউগলে করুন সুর বেজে ওঠে।
পরে প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইতে স্বাক্ষর করেন। তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বে রয়েছেন।
এরআগে প্রধানমন্ত্রী শিখা অনির্বাণে পৌঁছালে তিন বাহিনীর প্রধানগণ ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) তাঁকে স্বাগত জানান।
সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে (এএফডি) যান। সেখানে তিন বাহিনীর প্রধানগণ তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এএফডিতে পৌঁছালে পিএসও এবং এএফডি’র মহাপরিচালকগণ প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান শুরু করে।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই ঐতিহাসিক দিবস প্রতিবছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে।

Like & share করে অন্যকে দেখার সুযোগ দিন