Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ২:২৭ ঢাকা, বুধবার  ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেনা

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন।

 

সরকারের বাইরের শক্তির দ্বারা মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। তার মানে সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেনা। তিনি বলেন, বিশ্বের সব জায়গা থেকে জেনেছি, মানবাধিকার সাধারণত লঙ্ঘিত হয় রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের ফলে এবং সরকারকেই মূলত দায়ী করা হয়। কিন্তু আজ মানবাধিকার হুমকির সম্মুখীন হয়েছে সরকারের বাইরের শক্তির দ্বারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় সোমবার সকালে সহিংসতার বিরুদ্ধে ঢাবি শিক্ষক সমিতির প্রতীকী অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ড. মিজান এ মন্তব্য করেন।
হরতাল-অবরোধ দিয়ে এসএসসি পরীক্ষা বিঘ্নিত না করার আহ্বান জানিয়ে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এই প্রতীকী অনশন পালন করেন।
ড. মিজান বলেন, রাষ্ট্রের একচেটিয়া শক্তি থাকার কথা। কিন্তু এ ধরণের পেট্রোলবোমা হামলা রাষ্ট্রের একচেটিয়া শক্তিকে অস্বীকার করে এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। রাষ্ট্রের মূলে আঘাত করে এবং চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। এ কারণেই এমন হামলা নিন্দনীয়, পরিত্যাজ্য ও অগ্রহণযোগ্য।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য হরতাল-অবরোধের নামে চলমান নাশকতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠিন থেকে কঠিনতম পদক্ষেপ নিতে হবে।

ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে শক্তি প্রয়োগের আহ্বান জানিয়ে ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন থেকে কঠিনতম পদক্ষেপ নিতে হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিতে হবে। জীবনযাপনের পথ সুগম করতে হবে। শক্তি প্রয়োগের প্রয়োজন হলে বৈধ পন্থায় তা করতে হবে, অপশক্তিকে রুখতে হবে।’

বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের সন্তানদের বিদেশে পড়াশোনা করানোর সক্ষমতা থাকলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু যাদের ছেলেমেয়েদের বিদেশ পাঠানোর সামর্থ্য নেই- তাদের কথাও ভাবতে হবে।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে ড. মিজান আরো বলেন, আপনাদের হয়তো দিনের পর দিন, মাসের পর মাস হোটেল থেকে খাবার কেনার ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু একদিন কাজে না গেলে যাদের পক্ষে খাবার জোটানো সম্ভব না, টিফিন ক্যারিয়ারে করে যাদের জন্য খাবারও আসে না- তাদের কথা তো চিন্তায় রাখতে হবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এএসএম মাকসুদ কামাল, আখতারুজ্জামান, নিজামুল হক ভুঁইয়া, শফিউল আলম ভূঁইয়া, নাজমা শাহীনসহ ঢাবির দেড় শতাধিক শিক্ষক।