ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৫:২৩ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

সরকারের বিরুদ্ধে মামলায় হাইকোর্টে যাবেন ড.কামাল

সংবিধান লঙ্ঘনের অধিকার কারো নেই উল্লেখ করে সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রতিটি মামলার শুনানিতে হাইকোর্টে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন।

একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যাদের কারণে রাষ্ট্র মানবতাবোধ হারিয়েছে তাদের ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই। তিনি বলেন, ২০১৫ সাল হবে জনগণের বিজয়ের বছর।

শুক্রবার বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ পরিষদ আয়েজিত ‘৪৩তম বিজয় দিবস এবং বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মিলু চৌধুরী। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি হায়দার আকবর খান রনো, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী সিরাজ প্রমুখ। প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানিয়ে ড. কামাল বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে আদেশ চেয়ে যদি না পাই তাহলে দেশের স্বাধীনতা অর্থহীন হবে। বর্তমানে রাষ্ট্র মানবতাবোধ হারিয়েছে। মানবাধিকার হারিয়ে ফেললে স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে যাবে।

তিনি  বলেন, সরকারকে ১৬ কোটি মানুষের কথা শুনতে হবে। যারা অর্থ ও ক্ষমতার লোভে পাগল হয়ে গেছেন, মনে রাখবেন এ ক্ষমতার মালিক আপনি নন এবং ক্ষমতা চিরদিন থাকবে না। সরকারের কারণে বাংলাদেশের বিনিয়োগ ও উৎপাদনের যে সম্ভাবনা আছে তা কাজে লাগছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিশিষ্ট এ আইনজীবী বলেন, ঋণের নামে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। যারা শেয়ার বাজার লুট করেছে  তারা বহাল তবিয়তে আছে। ক্ষমতা ও অর্থের লোভে এ অমানবিক কাজ করে যাচ্ছে সরকারের কিছু লোক। তারা বলতে চায় তাদের কিছুই হবে না।

১৬ কোটি মানুষ রাষ্ট্রের মালিক উল্লেখ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ব্যাংক ও শেয়ার মার্কেট যারা লুট করে তারা রাষ্ট্রের মালিক না। এখন থেকে সারা দেশে মানবাধিকারের বিরুদ্ধে কোনো কিছু হলে আমরা তা রুখে দাঁড়াব।

জনগণের কথা শুনতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণ রাষ্ট্রের মালিক। তাদের কথা শুনুন। জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে। অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে জনগণের প্রতিনিধি সঠিক হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তালুকদার মনিরুজ্জামান মনির।