Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ১০:৫০ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

আবুল মাল আব্দুল মুহিত
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত

সরকারের পদক্ষেপে কৃষিখাতে অগ্রগতি হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন,সরকার কৃষিবান্ধব বাস্তবমুখী বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে এই খাতে অনেক উন্নতি ও অগ্রগতি হয়েছে।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) আয়োজিত দু’দিনব্যাপী এগ্রো কেয়ার এক্সপোর (চাকরি মেলা) সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাজধানীর ফার্মগেট কেআইবি মিলনায়তনে এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আফম বাহা উদ্দিন নাসিম,কৃষিবিদ এ এম মিজানুর রহমান,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন খান, কৃষিবিদ খায়রুল আলম প্রিন্স এবং অর্থ সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাটালিস্টের জেনারেল ম্যানেজার জিবি বাঞ্জারা বক্তব্য রাখেন।

আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, এক সময় মানুষ না খেয়ে থাকতো, সেখানে দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। এটা সরকারের কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন পদক্ষেপের ফল। এই ধরনের মেলা সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নবীন কৃষিবিদদের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করবে।

তিনি বলেন, চাকরির সুযোগের পাশাপাশি মেলা শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যোগসূত্র সৃষ্টি করে। কেবল কৃষিবিদদের জন্য নয়, অন্যন্যদের জন্যও অত্যন্ত উপযুক্ত স্থান বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের কৃষকরা লেখাপড়া কম জানলেও তারা অনেক বুদ্ধিমান,একবার বুঝিয়ে দিলে সঠিকভাবে কাজ করতে পারে। আগের চেয়ে আমাদের কৃষকদের মর্যাদা ও আত্মসম্মান বেড়েছে এবং তাদের আয়ও বেড়েছে বলে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

তিনি মনে করেন কৃষিখাতে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটায় কৃষি অর্থনীতির চরিত্রও বদলে গেছে। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ভুট্টার ফলন ভাল হয়েছে, এবার ভুট্টার ফলন ২৮ লাখ টন।

মোট জাতীয় আয়ে কৃষিখাতের অবদান কিছুটা কমে গেলেও এখনো জিডিপির ১৫ শতাংশ কৃষি খাত থেকে আসে বলে তিনি জানান।

এ ধরনের এক্সপো বিশ্ববিদ্যালয়,ছাত্র এবং কৃষিভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বন্ধনকে শক্তিশালী করবে বলে অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

এসিআই,একমিসহ এগ্রিবিবিউশন এবং অন্যান্য সেক্টর থেকে ১০৬ টি কোম্পানি এ মেলায় অংশগ্রহণ করে।এতে প্রায় ৪ হাজার স্নাতক ডিগ্রী সম্পন্ন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছে এবং অনেকেই চাকুরীর জন্য তাদের জীবন বৃতান্ত বিভিন্ন কোম্পনীতে জমা দিয়েছে।