ব্রেকিং নিউজ

রাত ৯:১৭ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

‘সরকারের অভ্যন্তরে আতঙ্ক এখন চরমে’

সরকারের অভ্যন্তরে আতঙ্ক এখন চরমে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেছেন, আমি অত্যন্ত আশাবাদ দেখতে পাচ্ছি। সরকার এখন জনগণের মধ্যে সন্ত্রাস করে ও আতঙ্ক ছড়িয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে। এতে পরিস্কার হয়ে ওঠেছে যে, সরকারের অভ্যন্তরে আতঙ্ক এখন চরমে। কিন্তু ইতিহাস বলে কোন সরকারই এ কৌশলকে অবলম্বন করে শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারেনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাগীর আহমেদ সাগীরের ১১তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ছাত্রদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ সরকার চোর-ডাকাতের সরকার হয়ে গেছে। তাই কেবল রাজনৈতিকভাবেই নয়, অর্থনৈতিকভাবেও এ সরকার দেওলিয়া। দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নোমান বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য একাত্তর সালে বাংলাদেশের মানুষ আত্মাহুতি দিয়েছিল। সে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। দেশের জনগণের স্বার্থে, মানবাধিকারের স্বার্থে, ভোটাধিকারের স্বার্থে আমাদের রাজপথে নামতে হবে। আসুন সকলে মিলে এ সরকারের পতন আন্দোলনকে তরান্বিত করতে রাজপথে সক্রিয় হই। বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, আমরা যারা রাজপথে আছি একদিন তারাই জনগণের ফুলের মালা নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবো। আর যারা আজ আমাদের গুম-খুন করছে একদিন তারাই কারাগারে যাবে। তারাই দেশ ছেড়ে পালাবো। আন্দোলনের মাধ্যমে এমন পরিস্থিতিই হবে বাংলাদেশে। আর সেই আন্দোলনের ছাত্রদলকে থাকতে হবে ভ্যানগার্ডের ভূমিকায়। মনে রাখতে হবে, নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমাদের সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়তে হবে। প্রতিরোধ ছাড়া এ স্বৈরাচারী সরকারকে দমাতে পারবো না। নব্বইয়ের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও সাগীর আহমেদের ভূমিকা স্মরণ করে নোমান বলেন, আমরা ভুলে যাইনি, স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। আর সাগীর ছিল নেতৃত্বের অগ্রভাগে। জাতীয়তাবাদের রাজনীতিতে সাগীরের অবদান তাকে অমর করে রাখবে। সাগীর আহমেদ আমাদের কাছে মৃত্যুবরণ করেনি, করবে না। সগীর আমাদের হৃদয়ে অবস্থান করে সবসময়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহ-ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, বর্তমান সভাপতি রাজীব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুল ইসলাম তালুকদার খোকন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রওনকুল ইসলাম টিপু, যুগ্ম সম্পাদক মফিজুর রহমান আশিক বক্তব্য দেন।