ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:৪৭ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

সরকারি কর্মচারীদের কাজের মূল্যায়ন ও দায়বদ্ধতার লক্ষ্যে কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর

Like & Share করে অন্যকে জানার সুযোগ দিতে পারেন। দ্রুত সংবাদ পেতে sheershamedia.com এর Page এ Like দিয়ে অ্যাক্টিভ থাকতে পারেন। 

 

সরকারি কর্মচারীদের বার্ষিক কর্মমূল্যায়ন ও তাদের দায়িত্বের প্রতি দায়বদ্ধতার লক্ষ্যে ১০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি দফতরসমূহের দক্ষতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি এবং নিবিড় পরিবীক্ষণের মাধ্যমে বিঘোষিত নীতি ও কর্মসূচির দ্রুত বাস্তবায়নে এক সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হলো।
এই চুক্তির আওতায় প্রত্যেক মন্ত্রণালয়/বিভাগ সরকারের সার্বিক উন্নয়ন অগ্রাধিকার বিশেষত প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০১০-২১ ও পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এবং কর্মবিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের বাজেট কাঠামোর আলোকে স্ব-স্ব বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি প্রণয়ন করবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকের সময় কেবিনেট সচিবের সঙ্গে ১০ মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবগণের এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম মোশাররফ হোসেইন ভূইঞা বলেন, এর মাধ্যমে সরকারি কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আওতায় ১০টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে বার্ষিক কর্মমূল্যায়ন চুক্তির আওতাভূক্ত হলো।
সচিব বলেন, এটি হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা ও তাদের বার্ষিক কর্মদক্ষতা মূল্যায়নে জনপ্রশাসনের অভ্যন্তরীণ একটি ব্যবস্থা। চুক্তিতে কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা পরিমাপের রূপরেখা রয়েছে।
মোশাররফ হোসেইন বলেন, প্রত্যেক সরকারের রাজনৈতিক রূপরেখা রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হচ্ছে এই রূপরেখা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা। এলক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের কর্মমূল্যায়নও প্রয়োজন।
তিনি বলেন, সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) নেতৃত্বে একটি কোর কমিটি ভারত, ভূটান, কেনিয়া, মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা মূল্যায়ন ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে এই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রণয়ন করেছে।
স্বাক্ষরকৃত মন্ত্রণালয়/বিভাগ হচ্ছে- সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, শিল্প মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।
অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগও পর্যায়ক্রমে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ কথা বলেন।
চুক্তি স্বাক্ষর শেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, কর্মসম্পাদন ব্যবস্থা পদ্ধতি ও বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি নিবিড় পরিবীক্ষণের মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের দক্ষতা ও জবাবদিহিতার উন্নয়ন এবং সরকারের নীতি ও কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকার জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রতিবেদন ২০০০ ও জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ২০১২ এর সুপারিশের আলোকে সরকারি কর্মসম্পাদন ব্যবস্থা পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদ্ধতি বাস্তবায়নে গত বছরের জুন ও নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞের সহযোগিতায় তিনটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এই কর্মশালায় সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিব এবং প্রত্যেক মন্ত্রণালয়/বিভাগের একজন করে অতিরিক্ত সচিব/যুগ্ম-সচিব অংশগ্রহণ করেন।