ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ১২:৪২ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

ওবায়দুল কাদের
আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

‘সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রেখেই তিস্তাসহ দ্বিপাক্ষিক সমস্যার সমাধান’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, ভারতের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে তিস্তা নদীর পানি বন্টনসহ দ্বিপাক্ষিক সকল সমস্যার সমাধান করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর বন্ধুপ্রতিম দেশটির সাথে সম্পর্ক আরো অগ্রগতি হবে বলে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাঁদের সাথে বন্ধুত্ব রাখতে হবে। তাদের গালিগালাজ করলে তারা কিছুই দেবে না।

ওবায়দুল কাদের আজ দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নবম ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ঐক্য পরিষদের সভাপতি ঊষাতন তালুকদার এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজল দেবনাথ, হিউবার্ট গোমেজ, সহ-সভাপতি নিম চন্দ্র ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানাদাশ গুপ্ত ও সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য সচিব মনিরিন্দ্র কুমার নাথ, পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত কুমার দেব, তাপস কুমার পাল, নির্মল কুমার চ্যাটার্জি ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাগর হালদার।

ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার জন্য বিশ্বব্যাপী সলিডারিটি ক্যাম্প প্রতিষ্ঠা করেছিলেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের পর ভারতের সব অবদানের কথা অস্বীকার করা হয়েছিল। ভারত বিরোধীতাকে পুঁজি করে বন্ধুপ্রতিম দেশ দু’টির মধ্যে দেয়াল তৈরি করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, আমরা বিগত সরকারগুলোর মতো তাঁদের সাথে শত্রুতার মধ্যে থাকলে দু’দেশের মধ্যে বিশাল সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারতাম না।

কাদের বলেন, শত্রুতা করে কখনো দাবী আদায় করা যায় না। আলাপ-আলোচনার মধ্যে দাবি আদায় করতে হয়। ঢাকা-নয়াদিল্লীর মধ্যে সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরই তার প্রমাণ।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাংলাদেশ-ভারত চুক্তিকে দেশ বিরোধী চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করার জবাবে কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে রয়েছেন। এখনও চুক্তি সই হয় নি। চুক্তি সই হওয়ার আগেই সে চুক্তিকে দেশ বিরোধী বলা আর অন্ধকারে ঢিল ছোঁড়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর তা ভালোভাবে দেখুন, তারপর যুক্তি দিয়ে বলুন কিভাবে চুক্তিটি দেশ বিরোধী হয়েছে।