ব্রেকিং নিউজ

দুপুর ২:৪৬ ঢাকা, শনিবার  ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘সব বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত’

দেশের সব বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

মঙ্গলবার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সঙ্গে বৈঠকের পর বিমান সদরদফরে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

মেনন বলেন, ‘আমরা চাই না আমাদের সুনাম নষ্ট হোক। এভিয়েশন সিকিউরিটির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স।’

তিনি বলেন, ‘শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি ওসমানী ও শাহ আমানত বিমানবন্দরের নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। শুধু বিদেশী যাত্রী নয়, দেশী যাত্রীদের জীবনও আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি সাতটি দেশের ডিপ্লোম্যাটদের সঙ্গে বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা বিষয়ে বৈঠক করবে। এ ছাড়া বিদেশে বাংলাদেশের সব দূতাবাসকেও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিষয়ে নিশ্চয়তা দেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, যে বহিঃশক্তি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছিল, গুলশান ও শোলাকিয়ায় হামলার ঘটনায় তারা কিছুটা সফল হয়েছে। এ দুই ঘটনায় আমরা একটু ব্যাকফুটে আছি।

সেই বহিঃশক্তি কারা, এমন প্রশ্নের জবাবে মেনন বলেন, যাদের দেশে সব সময় খুন-হত্যা-সন্ত্রাস চলছে তারা। তারা এখন আমাদের দেশে এসে নাক গলাচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়ার সরাসরি কার্গো ফ্লাইট পরিবহনে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত ছিল রাজনৈতিক। একই কায়দায় জিএসপি বাতিলের সিদ্ধান্তও রাজনৈতিক। এসব বিষয় কূটনৈতিকদের মাধ্যমে মোকাবেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।