ব্রেকিং নিউজ

রাত ১১:৫৯ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

সবুজবাগে লোডশেডিং না-কি সরকারের বিরুদ্দ্বে জনরোষ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র

শীর্ষ মিডিয়া ৩০ সেপ্টেম্বর ঃ   কখনো ৫/১০ মিনিট পর পর কখনো ১ ঘণ্টা অন্তর অন্তর লোডশেডিং না-কি সরকারের বিরুদ্দ্বে জনরোষ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র কি-না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। রাজধানীর সবুজবাগ থানাধীন অতিস দীপঙ্কর রোডে (বৌদ্বমন্দির-মুগদা সড়ক) বিদ্যুত আসে আর যায় বিগত ৩৬ ঘণ্টা যাবত এমন তামাশা শুরু হয়েছে। এলাকার জনগন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে চরম দুর্ভোগে আছে।  কিছু দিন পর পর এমন হচ্ছে ফলে জনমনে সন্দেহ ও ক্ষোভের সঞ্চার সৃষ্টি হয়েছে।

এ ব্যাপারে মাসের প্রথম সপ্তাহে এলাকার কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয় ক্যাবল সমস্যা ও পর্যাপ্ত লোড পাওয়ার না থাকায় ২ সার্কিটের ১টি বন্দ এবং ১ টি চালু রাখতে হচ্ছে তাই এ অবস্থা চলবে, নতুন সাব-ষ্টেশন না বসানো হলে আগামী ৫/৬ মাসের আগে লোডশেডিং এর কোন সমাধান হবেনা, হেড অফিসেও বলা হয়েছে সাব-ষ্টেশন বসলে ঠিক হয়ে যাবে কিন্ত বলার ২ দিন পর লোডশেডিং বন্ধ হয়ে যায়, যা ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে আবার শুরু হয়েছে, তাহলে এখানে প্রশ্ন হল যদি লোড সক্ষমতা না-ই থাকে তবে হটাৎ হটাৎ ঠিক হয়ে যায় কি করে ? যা বক্তব্যর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

পর্যাপ্ত লোড সক্ষমতা যদি না থেকেই থাকে মানুষ লোডশেডিং এ কষ্ট পাচ্ছে জেনেও তাহলে এলাকার বহুতল ভবনে ২ সপ্তাহ আগেও নুতন সংযোগ দেয়া হল কি করে এবং কেন ? এমন সিদ্বান্ত লোড ম্যানেজমেন্টের অদক্ষতা প্রমান করে নয় কি ?

বিদ্যুতের এমন বিপর্যায়ের কারণ  জানতে চাওয়া হলে এলাকার কন্ট্রোল রুমের ভারপ্রাপ্ত সুপারভাইজার মিঃ ছগীর আহমেদ গতকাল রাত ৮ টা২৫ মিনিটে বলেন ক্যাবল ফল্টের কারনে লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

নির্বাহী প্রকৌশলী মিঃ জুলফিকার আলী গতকাল রাত ৮ টা ৩২ মিনিটে জানান সার্কিট ফল্ট করেছে কিন্তু লোকেট করতে পারতেছিনা আশাকরি আগামীকাল ৩০ সেপ্টেম্বর ঠিক হয়ে যাবে। কিছু দিন পর পর এমন হচ্ছে কেন জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন নুতন সাব-ষ্টেশনের কাজ চলছে শেষ হলে সমস্যা থাকবেনা।

কোন বিশেষ মহল সরকারক বিব্রত করতে এমনটি করছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে বিগত জোট সরকারে সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পানি সঙ্কটে পরে রাজধানীর সায়দাবাদ এলাকার এম, পি  জনরোষে পড়েছিলেন তা নেয়ে সরকার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ছিল।