Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১০:০৩ ঢাকা, রবিবার  ১৮ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

সন্দেহভাজন বার্লিন হামলাকারী
সন্দেহভাজন প্রধান হামলাকারী আনিস আমরি

সন্দেহভাজন বার্লিন হামলাকারী ইতালিতে নিহত

জার্মানির বার্লিনে শপিংমলে হামলার জন্য সন্দেহভাজন হামলাকারী ইতালীয় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় মিলানের একটি শহরতলীতে  এ ঘটনা ঘটে।

ইতালীয় সাময়িকী ‘প্যানোরমা’ তাদের ওয়েবসাইটে একটি স্বল্পদৈর্ঘ ভিডিও প্রকাশ করেছে যা দেখে মনে হয় শুক্রবার ভোরের আগে গুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে দেখা যায়, পুলিশ একটি অন্ধকার জায়গায় ঘিরে রেখেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, নিহত ব্যক্তি বার্লিনে হামলার জন্য অভিযুক্ত তিউনিশিয়া বংশোদ্ভূত ২৪ বছর বয়সী লরি চালক আনিস আমরি।

তবে শুক্রবার ডেনিশ পুলিশ টুইট করে জানিয়েছে, দক্ষিণ ডেনমার্কের আলবুর্গ এলাকায় একজন ব্যক্তিকে দেখা গেছে যার সঙ্গে আমরির চেহারার মিল রয়েছে।

ওই ব্যক্তিকে আটক করতে অভিযান চলছে বলে উল্লেখ করে জনসাধারণকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলতে বলেছে পুলিশ।

এদিকে মার্কেটে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পরেও মঙ্গলবার ভোরে বার্লিনের মোয়াবিত জেলার একটি মসজিদে আমরিকে নামাজ পড়তে দেখা গেছে বলে পুলিশের ভিডিওতে ধরা পড়ার কথা জানিয়েছে জার্মানির সংবাদ মাধ্যম আরবিবি পাবলিক ব্রডকাস্ট।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ওই মসজিদটিকে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। সেই সময় তিনি মসজিদটিতে ছিলেন না।

নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে দার তাগেসস্পাইজেল জানিয়েছে, জার্মানির তদন্তকারীদের বিশ্বাস আমরি বার্লিনেই কোথাও লুকিয়ে আছে। কারণ তিনি সম্ভবত আহত এবং কারও নজর এড়াতে চেষ্টা করছেন।

জার্মান পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাইন-ওয়েস্টফালিয়ার ওবারহাউজেনইন শহরের একটি শপিংমলে হামলার পরিকল্পনার সন্দেহে শুক্রবার সকালে দুজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বিশেষ বাহিনী।

গ্রেফতাররা হলেন, কসোভোতে জন্ম গ্রহণকারী ২৮ ও ৩১ বছর বয়সী দুই ভাই। নিরাপত্তা বাহিনীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাদের ডুইসবার্গ শহর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ডুইসবার্গের গ্রেফতার এবং আমরির ঘটনার মধ্যে সংযোগ নেই।

আমরিকে হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছিল জার্মানির নিরাপত্তা সংস্থা। এ কারণে তার রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনও বাতিল করা হয়েছিল। তবে তার পরিচিতি সংক্রান্ত নথিপত্র হারিয়ে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ তাকে তিউনিসিয়া ফেরত পাঠাতে পারেনি।