Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৪৮ ঢাকা, সোমবার  ১০ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং

সন্দেহভাজনদের তালিকায় বিএনপি নেতা কাইয়ুম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দুই বিদেশী হত্যাকাণ্ডে বিএনপি নেতা ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার এম এ কাইয়ুম সন্দেহভাজনদের তালিকায় রয়েছে। এছাড়া সন্দেহের তালিকায় আরো কয়েকজন রাজনীতিবিদ রয়েছেন বলেও  জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার সচিবালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে যমুনা টিভিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ইতালির নাগরিক তাভেল্লা হত্যাকাণ্ডের হুকুমদাতা ‘বড় ভাই’ হলেন বিএনপি নেতা সাবেক কমিশনার আবদুল কাইয়ুম। ঘটনার পরই তিনি দেশের বাইরে পালিয়ে যান।
টিভি চ্যানেলকে এ তথ্য জানানোর পরপরই একটি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কাইয়ুমের নাম তদন্তে উঠে এসেছে। বিএনপি নেতা কাইয়ুমের নির্দেশেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে কি না- প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, ‘হ্যা’। আর কেউ জড়িত কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের তদন্ত হচ্ছে। তদন্ত শেষে বাদ বাকি জানা যাবে।’ এখন পর্যন্ত তদন্তে কাইয়ুমের জড়িত থাকার প্রমাণই কি পাওয়া গেছে- পুনরায় জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, ‘হু’।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার যুগান্তরে ভারত থেকে লন্ডনের পথে ‘বড় ভাই’- শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদনে ঢাকায় তাভেল্লা হত্যার পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিশেষ ভূমিকা পালনকারী হিসেবে বাড্ডার বিএনপি নেতা সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার আবদুল কাইয়ুমের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়াও প্রতিবেদনের অনুসন্ধানে রংপুরে কুনিও হোশি খুনের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে আরেক ‘বড় ভাই’ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের নাম উঠে এসেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুগান্তর পত্রিকায় নাম এসেছে বিএনপি নেতা কাইয়ুমের। তিনি সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন। শুধু কাইয়ুম নয়, সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন আরও নেতা।
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খাঁন কামাল ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।
এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খানসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট প্রধান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।