ব্রেকিং নিউজ

রাত ৩:৪৯ ঢাকা, শুক্রবার  ২১শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

‘সন্ত্রাসীরা নিশ্চিহ্ন হতে বাধ্য’- শিক্ষামন্ত্রী

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শিক্ষা পরিবারকে রুখে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা নির্বিঘ্ন ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে তিনি এ আহবান জানান।

রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আজ অনুষ্ঠিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজসমূহের অধ্যক্ষদের ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শান্তির’ এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাউশির মহাপরিচালক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইডেন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক গায়েত্রী চ্যাটার্জী, ঢাকা কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আবু সাঈদ, বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ আলাউদ্দিন, ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের সভাপতি ও নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা।

শিক্ষামন্ত্রী অভিযোগ করেন , বাংলাদেশ শিক্ষাসহ সর্বক্ষেত্রে দ্রুত উন্নতির দিকে যখন এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক সে সময়ে দেশি-বিদেশি শক্তির চক্রান্ত ও মদদে আমাদের দেশের কিছু সংখ্যক বিপদগামী ও বিভ্রান্ত ছাত্র-যুবক সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একের পর এক প্রাণহানি ও গুলশানের মতো পৈশাচিক হত্যাকা- সংঘটিত করছে।

এদের আক্রমনের হাত থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও পরিত্রান পাচ্ছে না উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, ‘দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা নির্বিঘœ ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আমি সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অভিভাবকসহ শিক্ষা পরিবারের সকল সদস্যকে এদের সন্ত্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহবান জানাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ সভাপতির ভাষণে বলেন, হাজার বছর ধরে আমাদের দেশে গড়ে ওঠেছে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহিঞ্চুতার সংস্কৃতি, যা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ বাঙালীর সমাজ, দর্শন ও আদর্শ পরিপন্থী।

তিনি বলেন, নিরীহ মানুষকে জিম্মী কিংবা টার্গেট করে তাদের প্রাণসংহার করা যেতে পারে কিন্তু বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও সমাজের মূল ভিত্তি ও আদর্শকে কিছুতেই নস্যাৎ করা যাবে না। বিগত দিনের মতো বর্তমানের সন্ত্রাসীরাও নিশ্চিহ্ন হতে বাধ্য

হারুন-অর-রশিদ দেশের সকল কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের প্রতি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব অর্পনসহ অবিলম্বে ভিজিলেন্স টিম গঠনের অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে প্রায় ১২০০ কলেজ অধ্যক্ষ যোগদেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ আসলাম ভূইয়া ও অধ্যাপক ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ নোমান উর রশীদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, আই ইউ টি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবার রহমান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব মোঃ হেলাল উদ্দিন, শিক্ষক নেতা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আই কে সেলিমুল্লাহ ও মহাসচিব অধ্যাপক শাহেদুল কবির, নায়েমের মহাপরিচালক অধ্যাপক হামিদুল হকসহ আরো অনেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।