ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৬:৪৬ ঢাকা, বুধবার  ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

আমির হোসেন আমু
শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, ফাইল ফটো

সংবিধানের মাধ্যমে দেশ চলতে পারলে নির্বাচনও পারবে – আমু

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী দেশ চলতে পারলে নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হতে পারবে।

তিনি বলেন, ‘সংবিধানের মাধ্যমে দেশ চলতে পারলে নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হতে পারবে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার জন্য নির্বাচন সহায়ক সরকার চায়। এটা তো মামার বাড়ীর আবদার।’

দেশ পরিচালনাসহ প্রতিটি বিষয় সংবিধানে লিপিবদ্ধ রয়েছে উল্লেখ করে আমু আরো বলেন, কোন দল বা সরকারকে নির্বাচিত করার জন্য সংবিধান প্রনীত হয় নি।

আমির হোসেন আমু আজ বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় নেতা ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর ১০১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

শহীদ এম মনসুর আলী স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পানি সম্পদ মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টি (জেপি)’র চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর জম্মবার্ষিকী পালন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক নুরুল ইসলাম ঠান্ডু ও শহীদ এম মনসুর আলীর দৌহিত্র তানভীর শাকিল জয় এমপি।

আমির হোসেন আমু বলেন, সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন যে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব তা আমরা প্রমান করতে চাই। আর বিএনপি প্রমান করুক ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

আমু বলেন, দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের কোন বিকল্প নেই। কারণ আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে বিজয়ী না হলে পদ্মা সেতুসহ সরকারের প্রতি মেঘা প্রজেক্ট বাতিল করে দেবে।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে দেশকে যেমন ৪০ বছর পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল তেমনি আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী না হলে আরো বেশি সময়ের জন্য পিছিয়ে যাবে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কিন্তু কোন দেশেই সংলাপের প্রয়োজন হচ্ছে না। আমাদেও দেশেও নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সংলাপের কোন প্রয়োজন নেই।

তিনি বলেন, এদেশে কোন সংলাপ সফল হয় নি। আর কোন সংলাপ সফলও হবে না। আর সংলাপ সফল না হলে দেশে একটি বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করা সহজ হয়।

নাসিম বলেন, তথাকথিত সেনা সমর্থিত তত্তাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা নেয়ার আগেও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল ও বিএনপির মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়ার মধ্যে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সংলাপ ব্যর্থ হয়েছিল।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের পৃষ্ঠপোষক ও যুদ্ধাপরাধীদের কোন সংলাপ হতে পারে না। আর যারা সংলাপের কথা বলে তারা মতলববাজ।

কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র নাসিম বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বিজয়ের মাস আগামী ডিসেম্বরেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশে আবার কোন মহল বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠ নামতে হবে।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যেমন দেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়, তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামও মুছে ফেলা সম্ভব নয়। কারণ বঙ্গবন্ধু একটি জাতি রাষ্ট্র জন্ম দিয়েছেন, আর তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই রাষ্ট্রের উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।