ব্রেকিং নিউজ

সন্ধ্যা ৭:৫১ ঢাকা, মঙ্গলবার  ২৩শে অক্টোবর ২০১৮ ইং

‘শেয়ার কেলেঙ্কারি মামলায় শামীম বেকসুর খালাস’

প্লেসমেন্ট শেয়ার কেলেঙ্কারির মামলায় সাত্তারুজ্জমান শামীমকে বেকসুর খালাস দিয়েছে পুঁজিবাজার বিষয়ক ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার পুঁজিবাজার সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তিতে গঠিত ট্রাইব্যুনালের বিচারক হুমায়ুন কবীর এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের আদেশে বিচারক হুমায়ুন কবির বলেন, সাত্তারুজ্জামান শামীমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হলো।
এ সময় ট্রাইব্যুনালে সাত্তারুজ্জামান শামীম ও তার আইনজীবী এ এস এম আমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আইনজীবী মাসুদ রানা।
২০১০ সালে প্লেসমেন্টের নামে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে সাত্তারুজ্জামান শামীমের বিরুদ্ধে এই মামলা হয়েছিল। মামলার প্রধান আসামি ছিলেন গ্রিন বাংলা কমিউনিকেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রয়াত নবীউল্লাহ নবী। ২০১৩ সালের জুন মাসে নবীউল্লাহ নবী ট্রেনের নিচে চাপা পড়ে মারা যান।
সাত্তারুজ্জামান শামীমকে নবী উল্লাহ নবীর সহযোগী হিসাবে মামলায় আসামি করা হয়েছিল।
মামলায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পক্ষে ১২ জন সাক্ষ্য দেন।
গত ২৫ অক্টোবর প্লেসমেন্ট মামলায় সাত্তারুজ্জমান শামীমের পক্ষে তার আইনজীবী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল আজ এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে, ২০১০ সালে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে শেয়ার বরাদ্দ দেয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা উত্তোলনের অভিযোগ পায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অভিযোগের ভিত্তিতে বিএসইসির উপ-পরিচালক এ এস এম মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। বিএসইসির মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব-৩ সরেজমিন তদন্তে নামে। র‌্যাব-৩ এর কয়েকজন সদস্য বিনিয়োগকারী সেজে প্লেসমেন্টে প্রতারণায় নবীউল্লাহ নবী ও সাত্তারুজ্জামান শাহীন নামে দু’জনকে সনাক্ত করেন।
ট্রাইব্যুনাল গঠিত হওয়ার পর এই প্রথম কোন মামলায় আসামি বেকসুর খালাস পেলেন।
এর আগে ট্রাইব্যুনাল ৩ মামলার রায় ঘোষণা করেন। এরমধ্যে ফেসবুকে শেয়ারের আগাম ও মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগে ৩ আগস্ট মাহবুব সরোয়ার নামে এক বিনিয়োগকারীকে ২ বছর কারাদন্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। বিডি ওয়েল্ডিংয়ের শেয়ার কারসাজির দায়ে ১৭ আগস্ট ২ জনকে ৩ বছর করে জেল ও ২০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ১৯৯৬ সালে চিকটেক্সের শেয়ার কারসাজির দায়ে ৩১ আগস্ট কোম্পানির দুই পরিচালককে ৪ বছর করে কারাদন্ড ও ৩০ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন ট্রাইব্যুনাল।