ব্রেকিং নিউজ

বিকাল ৪:০৬ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ১৬ই আগস্ট ২০১৮ ইং

শেয়ারবাজার উর্ধ্বমুখী হওয়ায় মরে যাওয়া হাউজগুলোও সক্রিয় হয়ে ওঠছে

শীর্ষ মিডিয়া  সেপ্টেম্বর ২৪ : দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে কয়েক কার্যদিবস ধরে লেনদেন রয়েছে উর্ধ্বমুখী। পাশাপাশি বাড়ছে সূচক। শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন বাড়াতে পূর্বের হারানোর পুঁজির সমন্বয়ে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।  গতকাল সোমবার দিন শেষে বিনিয়োগকারীদের পুঁজি সমন্বয়ের কথা জানান সংশ্লিষ্টরা, তারা  বলছেন শেয়ারবাজারে ধারাবাহিক ভাবে লেনদেন বাড়ছে। আগের চেয়ে সিকিউরিটিজ হাউজগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতিও বেড়েছে। শেয়ারবাজার উর্ধ্বমুখী হওয়ার সাথে সাথে মরে যাওয়া হাউজগুলোও সক্রিয় হয়ে ওঠছে। এ উর্ধ্বমুখী অবস্থায় বিনিয়োগকারীরাও হারানো পুঁজি ফিরে পাবায় লক্ষে লেনদেনে আসছে। তবে অধিকাংশ মৌলভিত্তি শেয়ার দর বাড়ছে বলেও দাবী তাদের। তাই শেয়ারবাজারের উন্নয়নের স্বার্থে নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সংশ্লিষ্টদের সজাগ থাকার পরামর্শ দেন তারা।

বিশ্লেষকরা জানান, শেয়ারবাজার যখন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ঠিক তখনই কারসাজি চক্র বাজারের ক্ষতি করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। কারসাজি সম্পর্কে সচেতন হয়ে এ ঊর্ধ্বমুখীতা ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। এছাড়াও প্রয়োজন বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা। রাজনৈতিক বৈড়িতা সত্ত্বেও ঊর্ধ্বমুখী ধারায় এগোচ্ছে বাজার। যা স্থিতিশীলতার পথে সহায়ক। এতে করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হারানো পুঁজি সমন্বয়ে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন। বাজারবিমুখ বিনিয়োগকারীরা মুনাফার আশায় হাউজগুলোতে বিনিয়োগে সক্রিয় রয়েছে। অনেক বিনিয়োগকারী রাজনৈতিক অস্থির পরিবেশে বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানান তারা।

এ প্রসঙ্গে  বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইতিবাচক গতি ধরে রাখতে বাজার স্বাভাবিক লেনদেন হওয়া প্রয়োজন। লেনদেন স্বাভাবিক অবস্থানে না থাকলে বিনিয়োগকারীদের আস্থার জায়গা নড়বড়ে হয়ে যায়। তারা বলেন, বর্তমান শেয়ারবাজার সন্তোসজনকভাবে এগোচ্ছে। অধিকাংশ মৌলভিত্তিক শেয়ার দর বাড়ছে। আস্থাশীল ঝিমিয়ে যাওয়া খাতগুলো শেয়ারপ্রতি কদর বাড়ছে। এ উর্ধ্বমুখী বাজার ধরে রাখতে নিয়ন্ত্রকদের আরো সক্রিয় হতে হবে বলে মনে করেন তারা। কারণ নিয়ন্ত্রকদের দক্ষ ব্যবস্থাপনার ওপরে নির্ভর করছে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা গতকাল মঙ্গলবারের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, এদিন সবোর্চ্চ লেনদেন হয়েছে ব্যাংকিং খাতে। ২য় স্থানে রয়েছে প্রকৌশল এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত।

ঐ  দিন সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের ৩০টি কোম্পানিতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৭৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা। যা আগের কার্যদিবসে লেনদেন ছিল ৮৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২য় অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয়েছে ১৫৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা। ৩য় স্থানে থাকা জ্বালানি ও বিদ্যুৎতে লেনদেন হয়েছে ১৩৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এছাড়াও ঔষুধ ও রসায়নে লেনদেন হয়েছে ১২৫ কোটি ৭৫ লাখ, আর্থিক ৬৮ কোটি ৮১ লাখ, বস্ত্র ৬৬ কোটি ৬৩ লাখ, বিবিধ ৫৬ কোটি ৫৮ লাখ, সিমেন্ট ৫২ কোটি ৭৫ লাখ, বীমা ৩৬ কোটি ১ লাখ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক ২৩ কোটি ১৭ লাখ, সিরামিক ২২ কোটি ১৫ লাখ, মিউচুয়্যাল ফান্ড ১৫ কোটি ১ লাখ এবং আইটি ১১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।