Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৯:২৯ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

ফাইল ফটো

“শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে দেশে বিচার চাওয়ার সুযোগ হয়েছে”

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী নেতৃত্বে দেশ বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে এসেছে। তিনি বলেন, বিচার পাওয়া তো দূরের কথা এমন এক সময় ছিল যখন বিচার চাওয়ারও কোন সুযোগ ছিল না। আর সেজন্য বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীরা এবং যুদ্ধাপরাধীরা পর্যন্ত দম্ভোক্তি করতে কুন্ঠাবোধ করেনি।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ও যুদ্ধাপরাধীদের যেমন বিচার হয়েছে তেমনি নূরুল ইসলাম ও তার পুত্র ইসলাম তমোহরের খুনিদেরও বিচার হবে।
কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম আজ সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)’র ক্রীড়া কক্ষে গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি প্রয়াত নূরুল ইসলামের ৭ম মৃত্যুবার্ষিী উপলক্ষে নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
নাগরিক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামোনের সভাপতিতে অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন এবং পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি।
স্মরণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নূরুল ইসলামের সহ-ধর্মিনী কবি রুবী রহমান, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহদাত হোসেন, কবি অসীম সাহা ও অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও নূরুল ইসলাম হত্যার বিচার বিলম্বিত হওয়া সত্যি দুর্ভাগ্যজনক। সরকারের মন্ত্রী হিসেবে বলতে চাই এ মামলার সুরাহা হবে।
তিনি বলেন,‘ আমি, রাশেদ খান মেনন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং আপনাদের নিয়ে এ মামলা সুরাহা করার জন্য অচীরেই বসব। যাতে প্রতি বছর এভাবে আর শুধু স্মরণ সভা না করতে হয়।’
নাসিম বলেন, প্রয়াত নূরল ইসলাম, রাশেদ খান মেনন এবং বুদ্ধিজীবীদের সহায়তায় এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসিকতায় বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতার হত্যাকারীদের এবং যুদ্ধাপরাধীদের সরকার বিচার করতে সমর্থ হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের বরেন্য বুদ্ধিজীবীদের সহযোগিতায় একাত্তর ও পঁচাত্তরের ঘাতকদের যেমন বিচার করা সম্ভব হয়েছে তেমনি বর্তমান সরকার তাদের সহযোগিতা ও সমালোচনার মাধ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
বুদ্ধিজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ আপনাদের সমালোচনা যেন ষড়যন্ত্রকারীদের সহায়তা না করে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ আমরা যেন বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ হাসিনাকে হারিয়ে না ফেলি।’
বুদ্ধিজীবীদের সতর্কভাবে সমালোচনা করার আহবান জানিয়ে নাসিম বলেন, ‘ স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকরা চুপ করে বসে নেই। তারা শুধু তৎপর নয়, সরকারের সকল অর্জনকে ধ্বংস করার জন্য নিরপেক্ষদের সহায়তায় আঘাত করতে চায়। সেজন্য নিরপেক্ষ মহলকে নিয়ে সবচেয়ে বড় ভয়।’
নাসিম বলেন, দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে এবং যে কোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় নতুন প্রজম্ম রাজপথে রয়েছে।
রাশেদ খান মেনন বলেন, নূরুল ইসলামের হত্যার বিচার বিলম্বিত হওয়ায় হতাশা আমাদের সকলের মধ্যে রয়েছে। তবে বিচারের দাবী করতে করতে তার সুকীর্তিগুলো আমরা হারিয়ে ফেলতে পারি না।
তিনি বলেন, তার সুকীর্তিগুলো আমরা ধরে রাখতে পারলে নতুন প্রজম্মের রাজনীতিবিদদের জন্য তা শিক্ষণীয় হিসেবে কাজ করবে।