ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:০১ ঢাকা, বুধবার  ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণে তালিকা প্রণয়নসহ যেকোন অনিয়ম হলে ডিলার ও জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা কেজি মূল্যের চাল বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। যদি কেউ তালিকায় অনিয়ম করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডিলারদের ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাদের প্রয়োজন তাদের নাম না থেকে যদি স্বচ্ছল কারও নাম থাকে তাহলে ওই স্বচ্ছলদের নাম বাতিল হবে এবং অস্বচ্ছলদের নাম দেয়া হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরকালে সরকারি দলের সদস্য মীর শওকত আলী বাদশার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি ৫শ’ জনের জন্য একজন ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে। ডিলার এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা হতদরিদ্রদের তালিকা করে সেই অনুযায়ী চাল বিতরণ করবে। এই তালিকা প্রস্তুতকালে কোন গড়মিল বা অনিয়ম যেন না থাকে সংসদ সদস্যরা সেই তালিকা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখবেন। সরকারি কর্মকর্তারাও যেন পরীক্ষা করে দেখেন।’

তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের আগে নির্বাচনী বক্তৃতায় ১০ টাকা কেজি চালের কথা বলেছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় অস্বচ্ছল, হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা কেজি মূল্যে চাল বিতরণের কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

সরকারি দলের সদস্য ইস্রাফিল আলমের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণ কর্মসূচি দীর্ঘদিন পর্যন্ত রাখার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় আসি তখন হতদরিদ্রদের মাঝে স্বল্পমূল্যে ও বিনামূল্যে চাল সরবরাহ করে যাই। ১৯৯৮ সালের দীর্ঘমেয়াদী বন্যার পর ২০ কেজি করে চাল বিনামূল্যে ৫৫ লাখ মানুষের মাঝে ৯ মাস বিতরণ করেছি। তাই যতদিন প্রয়োজন ১০ টাকা মূল্যের এই চাল বিতরণ কর্মসূচি অব্যহত রাখব। যদিও অদূর ভবিষতে মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ায় এই কর্মসূচি লাগবে না, তবে যারা শারীরিকভাবে অক্ষম, বয়োবৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের তাদের মাঝে এই বিতরণ অব্যাহত রাখবো।’

ইসরাফিল আলমের অপর এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার সারাদেশে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে গ্রামীণ জনপদের অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিকেজি ১০ টাকা করে কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যশস্য বিতরণ কার্যক্রম চালু করেছে।

তিনি বলেন, এ কর্মসূচির নাম হচ্ছে ‘খাদ্য বান্ধব’ কর্মসূচি এবং এর শ্লোগান হচ্ছে ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’।