Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:০১ ঢাকা, বুধবার  ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

তোফায়েল আহমেদ
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, ফাইল ফটো

‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জঙ্গীবাদ বিরোধী জাতীয় ঐক্য’

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জঙ্গীবাদ দমনে বিএনপির জাতীয় ঐক্যের আহবান জাতির সাথে উপহাস ছাড়া আর কিছুই নয়।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানদের কমিটিতে রেখে এবং নিহত জঙ্গীদের পক্ষে সাফাই গেয়ে কখনো জাতীয় ঐক্য হতে পারে না।

আওয়ামী লীগের এ নেতা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ইতোমধ্যে দেশে জঙ্গীবাদ বিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘ অবিনশ্বর তুমি পিতা ’ শীর্ষক বঙ্গবন্ধুর দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামান্য চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি কানতারা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আব্দুল মোমেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর যখন দেশকে স্বাভাবিক অবস্থায় এনেছিলেন তখন তাকে হত্যা করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবার যখন দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তখন জঙ্গীবাদ সৃষ্টি করে দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যারা ২০১৪ সালে নির্বাচন বানচাল করার জন্য দেশে জ্বালাও-পোড়াও চালিয়েছিল ও ২০১৫ সালে সরকার পতনের জন্য পেট্রলবোমা হামলা করে নিরীহ মানুষ হত্যা করেছিল তারাই পেছন থেকে জঙ্গীবাদকে উস্কে দিচ্ছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরসূরী যাতে দেশের হাল ধরতে না পারে সেজন্য শিশু শেখ রাসেলকেও হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের সে ষড়যন্ত্রকে ব্যর্থ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকলে দেশে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার যেমন হতো না তেমনি মুক্তিযুদ্ধ কালে সংঘঠিত যুদ্ধাপরাধের বিচারও সম্ভব হত না।

তোফায়েল বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে দেশের আশা-আকাঙ্খাকে হত্যা করা হয়েছিল। দেশ যতদিন থাকবে ততদিন দেশের মানুষের মনে তিনি অম্লান হয়ে থকবেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘অবিনশ্বর তুমি পিতা’ ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়। আলোচনা সভা শেষে তোফায়েল আহমেদ বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দুর্লভ চিত্র নিয়ে করা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।