Press "Enter" to skip to content

শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের ৪০০ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

Last updated on Tuesday, "January 27th, 2015"

রোবববার দুপুরে শাহবাগ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আনারুল ইসলাম বাদী হয়ে পুলিশের তদন্তের কাজে বাধা দেয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের তিন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ একই হলের ৪০০ জন অজ্ঞাতনামা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। এছাড়া শনিবার রাতে ওই হলের তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে আরও দুটি মামলা করে শাহবাগ থানা পুলিশ।

শাহবাগ থানা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএইচ হলের দুটি রুম তল্লাশি করে ১৩৩ ক্যান বিয়ারসহ ওই হলের তিন ছাত্রলীগ নেতাকে হাতেনাতে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পরে তাদের নিয়ে হলে থেকে বের হতে চাইলে হল শাখা ছাত্রলীগের কয়েকশ’ নেতাকর্মী পুলিশকে অবরুদ্ধ করে ফেলে। এসময় তারা পুলিশের সাথে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে এবং আটককৃত তিনজনের মধ্যে দুইজনকে পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেন হলের ওই ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। আটক হওয়া ওই শিক্ষার্থী হলেন-ফাজাইল ইবনে বাশার (পরিসংখ্যান বিভাগ)। পলাতকরা হলেন-রাশেদ মাহমুদ (পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ) ও সাইফুল ইসলাম টুটুল (ফলিত রসায়ন)। এদের মধ্যে রাশেদ হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং টুটুল সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন বলে জানা গেছে। এরা হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসানুজ্জামানের অনুসারী।

এদিকে শনিবার রাত ১২ টার দিকে শাহবাগ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনারুল ইসলাম ও মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য আইনে আটক ও পলাতক তিনজনের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক মামলা করেন। মামলা নম্বর-৩৭ এবং ৩৮।

এছাড়া পুলিশের কাজে বাধা দেয়ায় ওই হলের তিন ছাত্রলীগ কর্মী মাহমুদ, টুটুল ও মিল্টনের নাম উল্লেখ করে প্রায় চারশ’ অজ্ঞাতনামা ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন শাহবাগ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনারুল ইসলাম। মামলা নম্বর-৩৯।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এএম আমজাদ বলেন, আটক ও পলাতকদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এছাড়া পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেয়ায় আরেকটি মামলা করার কথা রয়েছে। এদের মধ্যে যাদের ছাত্রত্ব আছে তাদের বিরুদ্ধে একাডেমিকভাবে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেন তিনি।

শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার বলেন, ‘মামলা হয়েছে। বিস্তারিত জানি না। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহবাগ থানা পুলিশের বেশ কয়েকটি সূত্র এ তথ্য জানায়।

শেয়ার অপশন:
Don`t copy text!