Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

সকাল ৬:৪৬ ঢাকা, মঙ্গলবার  ১৩ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

লোপাটের ঘটনায় ৭ ব্যাংক কর্মকর্তাকে দুদকে তলব

সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজারসহ (জিএম) ঊর্দ্ধতন ছয় কর্মকর্তাকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রাষ্ট্রয়াত্ত এ ব্যাংকটির নয়টি শাখা থেকে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনা অনুসন্ধানে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের তলব করা হয়েছে।

রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচা দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী একটি তলবি নোটিশ পাঠান।

নোটিশটি সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এবং চিফ এক্সিউটিভ অফিসার (সিইও) বরাবর ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। দুদক সূত্র বাংলামেইলকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে।

দুদকের পাঠানো ওই নোটিশে চট্টগ্রামের জিএম দিদার মো. আব্দুর রবকে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আসতে বলা হয়েছে। একইভাবে ১ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসতে বলা হয়েছে- চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ করপোরেট শাখার ডিজিএম এসএম আবুল কালাম আজাদ, একই শাখার এজিএম আব্দুল গাফ্ফার, এজিএম মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার (এসইও) আব্দুল ওয়াদুদ সিকদার এবং ইও আমানত উল্লাহ চৌধুরীকে।

দুদকে আসা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হলমার্ক গ্রুপের পর রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে আরো ৭ হাজার কোটি টাকা লোপাটের ঘটনা ঘটেছে। ২০১০ সাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি ভুয়া ঋণপত্র ও ব্যাক টু ব্যাক এলসি দেখিয়ে এ ভয়াবহ জালিয়াতির কাজ করেছে। ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ পরিদর্শন ও তদন্ত প্রতিবেদনে এ বিপুল অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য বেরিয়ে আসে।

সোনালী ব্যাংকের যেসব শাখায় এসব অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে সেগুলো হলো- লোকাল অফিস; বৈদেশিক বাণিজ্য করপোরেট শাখা; বঙ্গবন্ধু এভিনিউ করপোরেট শাখা; নারায়ণগঞ্জ করপোরেট শাখা; চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ করপোরেট শাখা; লালদীঘি করপোরেট শাখা; হোটেল রূপসী বাংলা করপোরেট শাখা’ আগারগাঁও শাখা এবং গুলশান শাখা।

দুদক সূত্র জানায়, সোনালী ব্যাংকের করা অভ্যন্তরীণ পরিদর্শন ও তদন্ত প্রতিবেদন দুদকে অভিযোগ আকারে এলে তা আমলে নিয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। এজন্য উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে তিনসদস্যের একটি অনুসন্ধানীটিম গঠন করা হয়। অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর ইতোমধ্যে কোন শাখায়, কী প্রক্রিয়ায়, কাদের সহযোগিতায় অর্থ লোপাট হয়েছে সেসবসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় নথি সংগ্রহ করেছেন। আর এসব নথি যাচাই-বাছাই শেষে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের তলব করা হচ্ছে। আর তলবকৃত কর্মকর্তারা এসব সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০১০-২০১১ সালে কর্মরত ছিলেন।

FOLLOW US: