ব্রেকিং নিউজ

রাত ৮:৩২ ঢাকা, বুধবার  ২৩শে মে ২০১৮ ইং

২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে বাবার সঙ্গে সীমান্ত পেরোনোর সময়ে গুলিবিদ্ধ হন ফেলানি। দীর্ঘক্ষণ তাঁর মৃতদেহ কাঁটাতারেই ঝুলে ছিল

লোক দেখানো বিচারঃ ফেলানী হত্যা মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় মানবাধিকার সংগঠন

bbc3-7-1

কুচবিহারে বিএসএফ এর ১৮১ ব্যাটেলিয়নের সদরদপ্তরের সোনারি ক্যাম্পে এই আদালত বসে

বিএসএফের আদালতে আগেই স্থির করা ছিল যে কী রায় দেওয়া হবে– এটা লোক দেখানো বিচার হল। ফেলানি হত্যার রায়ের প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারতের মানবাধিকার সংগঠন। খবর বিবিসি বাংলা।
সংগঠনটির প্রধান কিরিটী রায় বিবিসিকে জানিয়েছেন যে বিএসএফের আদালতে আগেই স্থির করা ছিল যে কী রায় দেওয়া হবে– এটা লোক দেখানো বিচার হল।
তারা পরবর্তী কোনও আইনি পদক্ষেপ নেবেন কিনা, সেটা এখনই সিদ্ধান্ত নেননি – তবে চিন্তাভাবনা করবেন নিশ্চয়ই।
এদিকে বাদিপক্ষ এ রায়ে সংক্ষুব্ধ হয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ফেলানি হত্যার এই মামলা যিনি দেখাশোনা করছেন, কুড়িগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসেকিউটর আব্রাহাম লিঙ্কনের কাছ থেকে।
তিনি বলছেন, তাদের আশঙ্কা ছিল, যে বিচারকেরা প্রথম মামলাটা শুনেছেন, তারাই আবার পুনর্বিবেচনা করছেন – এক্ষেত্রে যদি তারা অন্য কোনও রায় দিতেন, তাহলে তাদের প্রথমে দেওয়া রায় নিয়ে প্রশ্ন উঠে যেত – আগের রায়ে তাহলে ভুল ছিল, সেটা প্রমাণিত হত।
তাই আগের রায়ই তারা বহাল রাখলেন। এছাড়াও আব্রাহিম লিঙ্কন বলছেন, বিএস এফের মতো একটা শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর একজন সদস্যের অপকর্মের দায় গোটা বাহিনীটাই নিয়ে নিল আর সেই দায় রাষ্ট্র হিসাবে ভারতের ওপরেও বর্তালো।

Leave a Reply