Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

ভোর ৫:২৪ ঢাকা, সোমবার  ১৯শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

লিভার হোক বা ফুসফুস, সুস্থ রাখে লবঙ্গ

গোলাপি রঙের ফুলের কুঁড়িকে রোদে শুকিয়ে বাদামি করে নেওয়া হয়। গোটা ফোড়ন হিসাবে দেওয়া যায় রান্নায়, আবার শুকনো কড়ায় ভেজে গুঁড়ো করে ছড়িয়ে দেওয়া যায় রান্নার একদম শেষে। একটু মিষ্ট-একটু ঝাঁঝালো। শুধ মশলা হিসেবে নয়, ওষুধ হিসেবেও লবঙ্গর গুণ অপরিসীম। দাঁতে ব্যথা সারাতে, অনিদ্রা দূর করতে, এমনকী ফুসফুস, লিভার সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে লবঙ্গ।

লবঙ্গর পুষ্টিগুণ-

১০০ গ্রাম লবঙ্গে রয়েছে-

 ৬৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট

৬ গ্রাম প্রোটিন

১৩ গ্রাম টোটাল লিপিড

২ গ্রাম সুগার

২৭৪ কিলো ক্যালোরি শক্তি

৩৩ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার

খনিজ-

ক্যালসিয়াম

আয়রন

ম্যাগনেশিয়াম

ফসফরাস

পটাশিয়াম

সোডিয়াম

জিঙ্ক

ভিটামিন

 বি ৬

বি ১২

সি, এ, ই, ডি, কে

থায়ামিন, রাইবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ফোলেট।

লবঙ্গের তেলে পাওয়া যায় ফ্ল্যাভোনয়েড, হেক্সানে, মেথিলিন ক্লোরাইড, ইথানল, থাইমল, ইউজেনল ইত্যাদি।

 

কী কী কাজ করে লবঙ্গ-

ইউজেনল থাকায় লবঙ্গের রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ যা

হজমে সাহায্য করে

মাড়ি ব্যথা উপশম করে

রুট কেনাল থেরাপিতে কাজে আসে

মুখের দুর্গন্ধ দূর করে

সর্দি-কাশি সারায়

দাঁতে ব্যথা কমায়

ফোলা ভাব কমায়

ফুসফুসের ক্যানসারের আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয় লবঙ্গ তেল

অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট গুণের জন্য লিভার সুস্থ রাখে লবঙ্গ

 

কত ভাবে ব্যবহার করতে পারেন লবঙ্গ-

চা করার সময় জলে ফেলে দিতে পারেন একটু লবঙ্গ।

ঠান্ডা লাগলে লবঙ্গে দেওয়া জলের ভাপ নিতে পারেন।

লবঙ্গ ও তিলের তেল মিশিয়ে কপালে মাখতে পারেন। অনিদ্রা দূর হবে।

লবঙ্গ বাটার সঙ্গে মধু ও লেবু মিশিয়ে মাখলে ব্রণ-ফুসকুড়ি কমে, দাগ মোছে, মুখ উজ্জ্বল হয়। ব

আলমারিতে জামাকাপড়ের ভাঁজে এক কোণে রেখে দিন লবঙ্গ। আনন্দবাজার