Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ১:৪৬ ঢাকা, বৃহস্পতিবার  ২২শে নভেম্বর ২০১৮ ইং

বন্দুকযুদ্ধ
পুলিশ বলছে, বুদু মনির একাধিক হত্যা মামলার আসামি।

টাঙ্গাইল-লক্ষ্মীপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত : ৩

লক্ষ্মীপুর

লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাতিসহ ৬ মামলার আসামি আবু কাউছার ওরফে বড় কাউছার নিহত হওয়ার দাবি পুলিশের।

নিহত কাউছার সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নের পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইউনুছ মিয়ার ছেলে।

পুলিশের ভাষ্য, কাউছার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। গ্রেফতারকৃত কাউছারকে নিয়ে বুধবার রাত ৩টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে পুলিশ অভিযানে যায়। এসময় তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এসময় দু’পক্ষের মধ্যে বন্ধুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হয়ে কাউছার নিহত হয়।

পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, ৪টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। বন্ধুকযুদ্ধে এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, চন্দ্রগঞ্জ থানার এসআই কাউছার উদ্দিন চৌধুরী, কনেস্টেবল ইব্রাহিম খলিল ও মহসিন খান। তারা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

লক্ষ্মীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মো. নাসিম মিয়া গণমাধ্যমকে জানান, বন্ধুকযুদ্ধে নিহত সন্ত্রাসী কাউছারের বিরুদ্ধে সদর ও চন্দ্রগঞ্জ থানায় অস্ত্র ও ডাকাতিসহ ৬টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্ততি চলছে।

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের যুগনী হাটখোলায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হওয়ার দাবি র‍্যাবের। এরা হলেন ফজলু ড্রাইভার (৪০)ও তার সহযোগী উজ্জল (৩৫)।

নিহতরা চরমপন্থী দলের নেতা বলে দাবি করেছে র‌্যাব। বুধবার দিবাগত রাত একটায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ এর দুই সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে র‌্যাব। তাদের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমাণ্ডার মহিউদ্দিন ফারুকী গণমাধ্যমকে জানান, চরমপন্থী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে বৈঠক করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের সদস্যরা যুগনী হাটখোলায় অবস্থান নিলে চরমপন্থীরা টের পেয়ে গুলি ছোড়ে। এসময় র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে দুই চরমপন্থী সদস্য নিহত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত ফজলুর বিরুদ্ধে ২০টি হত্যা মামলা রয়েছে বলে তিনি জানান।