Sheersha Media

ব্রেকিং নিউজ

রাত ৪:২৭ ঢাকা, বুধবার  ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং

রেলমন্ত্রীর ঘরে নববধু “রিক্তা” আসছে

শীর্ষ মিডিয়া ২৪ অক্টোবর ঃ   আগামী ৩১ অক্টোবর শুক্রবার ৬৭ বছরের একাকিত্বের জীবন অবসান ঘটিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসে আনুষ্ঠানিক ভাবে সংসার জীবন শুরু করতে যাচ্ছেন রেলমন্ত্রী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মুজিবুল হক মুজিব। পরিশীলিত রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত ও চৌদ্দগ্রাম থেকে তিন তিন বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের এই বিয়ে নিয়ে শুধু কুমিল্লা নয় পুরো বাংলাদেশে এখন এক আলোচিত ঘটনা হিসেবে দেখা দিয়েছে।  স্বাভাবিক কারণেই রেলমন্ত্রীর এই বিয়ের খুঁটিনাটি নিয়েও পাঠকের জানার কৌতুহল থাকতেই পারে। তাই এই লেখা।

হঠাৎ একদিন দেখা,  দেখা থেকে ভাল লাগা পরে পরিণয়ঃ   হবু বধু “হনুফা আক্তার রিক্তা” পর্দাশীন, মার্জিত এবং নামাজি হওয়ার কারণে তাকে ভাল লেগে যায়।  মিঃ মুজিবুল হক এত দিন ছিলেন সংসদ ভবন হোস্টেলে। । এখন সংসারী হওয়ার কারণে মন্ত্রী পাড়ায় থাকেন। বিয়ের পর কোথায় হানিমুনে যাবে তা এখনো ঠিক করেননি। জীবনের এই পর্যায়ে এসে উপলদ্ধি করলেন বিয়ে মানুষের জীবনকে পূর্নতা দেয়। একা থাকা যায় না। জীবনের একটা সময় এসে সঙ্গীর প্রয়োজন হয়। তাই বিয়ের পিঁড়িতে বসার সিদ্ধান্ত নিলেন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সাধারণত সকালে ঘুম থেকে উঠে অসংখ্য লোক অপেক্ষায় থাকে ড্রইয়িং রুমে আবার যখন রাতে ঘুমাতে যাবে তখনো অসংখ্য লোকের সাথে কথা বলেই একজন মন্ত্রী কে বেডে যেতে হয়।  নব বধূ এই বিষয়টি কি ভাবে নিবে সেটা মন্ত্রীর জন্য থাকবে সংসার জীবনের কঠিন চ্যালেঞ্জ কাজ। আশা করা যায় একজন শিক্ষিত মেয়ে হিসেবে বুঝবে এবং সার্বিক কর্মকাণ্ডে সে সহযাত্রীর ভূমিকা পালন করবে এটাই প্রত্যাশা।

একজন মন্ত্রী বিয়ে করবে বিষয়টি আলোচনা হবে এটাই স্বাভাবিক। এটাকে মুজিবুল হক নেতিবাচক হিসেবে দেখছেন না। কিন্ত দুঃখ পেয়েছেন এক শ্রেণির মানুষ এই বিয়ে নিয়ে উভয় পরিবারের কাছে অনেক মিথ্যা কথা ছড়াচেছ যা নোংরামীর পর্যায় পড়ে। মন্ত্রী মুজিবুল হক নিজেকে একজন কৃষকের ছেলে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন যা বিরল ।  তিন বার এমপি , জাতীয় সংসদের হুইপ, মন্ত্রী হয়েছেন এবং মন্ত্রী সভায় এখনো আছেন।  চৌদ্দগ্রামের মাটি ও মানুষ তার রক্তের সাথে মিশে আছে। শুধু চৌদ্দগ্রাম নয়  দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার কাছে সমস্যা নিয়ে এলে চেষ্টা করেছেন  সাধ্যমত সবার উপকার করার।